News

গাইবান্ধায়‎ বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু ‎‎

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু গ ইব ন ধ য় বজ রপ - গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মান্দুরা গ্রামে গুরুতর আপদ ঘটেছে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে মান্দুরা

Desk News
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু

গ ইব ন ধ য় বজ রপ – গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মান্দুরা গ্রামে গুরুতর আপদ ঘটেছে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে মান্দুরা গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী (৫৫ বছর) ও তাঁর ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২ বছর) বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার খবর ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন (মন্ডল) নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়েছিল এবং বৃষ্টি আসার আগে গাইবান্ধার বাসিন্তে মান্দুরা গ্রামে সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন, যার ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ফেরেন। মা ও ছেলে গ্রামের একটি স্থানে খড়ের পাতা আনতে যাচ্ছিলেন, তখন গাইবান্ধার বাসিন্তে আকস্মিক বজ্রপাতে তাঁদের মৃত্যু হয়।

ঘটনার স্থান ও সময়

মান্দুরা গ্রাম গাইবান্ধার গুরুতর আপদ সংঘটিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির আশঙ্কা দেখে কল্পনা রাণী ও সোহাগ চন্দ্র দাস গ্রামের খালি জায়গায় খড়ের পাতা আনতে বের হন। সেই সময় গাইবান্ধার বাসিন্তে আকস্মিক বজ্রপাতে তাঁদের জীবন দান করে। ঘটনার সাক্ষীদের মতে, বজ্রপাতে মা ও ছেলে দুজন গুরুতরভাবে আহত হন, কিন্তু আহতদের উদ্ধার করার পর গাইবান্ধার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁদের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্তে হতাশার ছায়া ছড়িয়ে পড়ে।

বজ্রপাতের আশঙ্কা ও প্রতিক্রিয়া

গাইবান্ধার মান্দুরা গ্রামে বজ্রপাতের আশঙ্কা ঘটনার আগে থেকে ছিল। স্থানীয় সূত্র বলে গাইবান্ধার বাসিন্তে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখে পরিবার আহত হওয়ার প্রত্যাশা করতেন। কিন্তু এই আপদের জন্য কোনও পূর্ববর্তী বার্তা ছিল না। গাইবান্ধার বাসিন্তে বজ্রপাতে মা ও ছেলে দুজন কিন্তু ঘটনার অবিলম্বে উদ্ধার করা হয় না। বজ্রপাতে মা-ছেলে দুজনকে বাড়ি থেকে বের করা হয় এবং তাঁদের গাইবান্ধার সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর গাইবান্ধার বাসিন্তে জনগণ খুব শোকে আবেষ্টিত হয়েছে।

গাইবান্ধার মান্দুরা গ্রামে বজ্রপাতে মা-ছেলে দুজনকে হতাহত করে বিপর্যয় ঘটেছে। স্থানীয় সাংবাদিক সাহিন আলম বলেন, এই বজ্রপাত সাধারণত গাইবান্ধার বাসিন্তে ঘটে থাকে। এমনকি তিনি বলেন যে, বজ্রপাত কর্মসূচিতে কোনও প্রতিকার মাধ্যমে মান্দুরা গ্রামে সংঘটিত হয়েছে। বজ্রপাত এর পূর্বে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়েছিল এবং বৃষ্টির আশঙ্কা ছিল, কিন্তু এই ঘটনার জন্য কোনও আবেগ ছিল না।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে কারণ এটি কৃষি ও স্থানীয় পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। মান্দুরা গ্রামে বজ্রপাতে মা-ছেলে দুজন মৃত্যু হয়েছে যার ফলে এই গ্রামের জনগণ এখন অভিশাপে আবেষ্টিত হয়েছে। গাইবান্ধার বাসিন্তে অনেক সামান্য বজ্রপাত ঘটে থাকে, কিন্তু এই ঘ

Leave a Comment