তিন ভাই ক্ষুধার জ্বালায় মায়ের সমাধিতে গিয়ে খাবার চাওয়ার আকুতি
ক ষ ধ র জ ব ল জনপদে প্রতিবেশীদের মতে পরিবারটি ক্ষুধার জ্বালায় দাঁড়িয়ে আছে। বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় অবস্থিত এই পরিবারের স্থানীয়দের মতে সংসার বাঁচানোর জন্য বাবা-মা এক একটি বেলা খাবার হাতে নিয়ে আসছিলেন। তিন সন্তান প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাদের আহারের পরিমাণ খুব কম ছিল। নিজেদের মুখে খাবার চাওয়ার আকুতি চার বছর ধরে পরিবারের পরিস্থিতির একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছিল। এখন এই পরিবার আর সামান্য আশ্চর্য হয়ে থাকে না। তাদের পরিবারের একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর বাঁধানো হয়েছে এবং সেখানে এখন তিন ভাইয়ের জীবন যাপন করছে।
পরিবারের সংকট গুরুতর হয়েছে
তিন ভাইয়ের জন্য বাবা রতন চন্দ্র দাস এবং মা সরস্বতী রানী দুই বছরের মধ্যে স্থানীয় কোনও ব্যবস্থা করতে পারেননি। বাবা মারা যাওয়ার পর মা অসুস্থ থাকার সময় তিন ভাইয়ের খাবার চাওয়া ছিল অসম্ভব। গত মাসে মা মারা যাওয়ার পর পরিবারের অবস্থা ক্ষুধার জ্বালায় অতিবেগে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সেই সময় প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের খাবারের জন্য সাহায্য করতে থাকে। কিন্তু ক্ষুধার জ্বালায় পরিবারের বৈঠক সামান্য আশ্চর্য হতে পারে।
বাউফল উপজেলার স্থানীয়দের মতে ক্ষুধার জ্বালায় বাবা এবং মার মৃত্যু পরিবারের পরিস্থিতি বদলে দিয়েছিল। আরেক স্থানীয় রাজীব দাস বলেন, ‘মা মারা যাওয়ার পর তিন ভাইয়ের দুই বেলা খাবার চাওয়া হয়েছিল আমরা তাদের জন্য খাবার সামান্য সাহায্য করছিলাম। কিন্তু আমাদের আশ্চর্য হয়েছিল যে ক্ষুধার জ্বালায় তারা এখনও জীবন চালিয়ে আসছে।’
আশার জ্বালায় প্রশাসন সহায়তা করছে
তিন ভাই ক্ষুধার জ্বালায় আর কষ্ট করে না। বাউফল উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সংস্থাগুলো তাদের জন্য সহায়তা প্রদান করছে। এই সহায়তার মাধ্যমে প্রতি মাসে পরিবারটিকে ৫০ কেজি চাল এবং ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ক্ষুধার জ্বালায় তিন ভাই এখন আর নিজেদের পরিবার চালানোর কষ্ট করে না। সুস্থ ভাইয়ের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবেশীদের মতে ক্ষ�