পোশাক কারখানার লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ চায় বিজিএমইএ
প শ ক ক রখ ন র – বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) তৈরি পোশাক কারখানার লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়াটিকে সহজ ও সময়সাপেক্ষ করার আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর শ্রম ভবনে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিকের সাথে নেতাদের মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান প্রকাশ করা হয়। সভার প্রধান লক্ষ্য ছিল শিল্প খাতের উন্নয়ন এবং শ্রমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। বিজিএমইএ দাবি করেছে যে পোশাক কারখানার জন্য স্থায়ী নীতি না থাকার কারণে উৎপাদনে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
উৎপাদনে ক্ষতিগ্রস্থ কারখানার সংখ্যা বাড়ছে
বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, বিজিএমইএ কলকারখানা আইন ও নিরাপত্তা নীতিমালা প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি আরও জানান যে পোশাক কারখানার নবায়ন প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ৫০ টি কারখানা মাসের মধ্যে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। অনেক কারখানা লাইসেন্স নবায়নের প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য অপেক্ষা করছে। এ বিষয়ে সরকারকে বিজিএমইএ সব ধরনের সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন যে পোশাক কারখানাগুলোর অনেকে কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থা মেনে চলছে না, কারণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল।
পোশাক কারখানার পরিচালনা অধিদপ্তর থেকে কমপ্লায়েন্স রেকর্ড বাড়ছে। তবে বিজিএমইএ দাবি করেছে যে প্রক্রিয়া পরিবর্তন না হলে পোশাক কারখানার উৎপাদন হার কমে যাবে। স্থায়িত্বের জন্য নতুন কারখানাগুলো প্রবেশ করছে না। সরকারের প্রক্রিয়া নিয়ে দুর্দান্ত সংস্কার করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করে।
ভাড়াভিত্তিক কারখানাগুলো বিশেষ চালানোর প্রয়োজন
বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ন্যাপ মনিটরিংয়ের আওতাভুক্ত প্রায় দেড় হাজার পোশাক কারখানার মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আনুমানিক ৩০০ কারখানা চালু রয়েছে। শতভাগ কারেক্টিভ অ্যাকশন প্ল্যান (সিএপি) বাস্তবায়নের শর্তে পোশাক কারখানার লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে পুরোনো অবকাঠামোতে চালু করা পোশাক কারখানাগুলো বাস্তবসম্মত সমাধান পেতে সক্ষম হচ্ছে না।
তিনি আরও