খুলনার বাজারে ক্রেতাশূন্য অবস্থায় মুরগির দাম কমেছে
ক র ত শ ন য খ – ঈদের পর হওয়ায় খুলনার বাজারে ক্রেতাদের সংখ্যা কমে গেছে। পূর্বের মূল্যে সবজি ও মাছ বিক্রি হচ্ছে। এখন কেজি বেগুনের দর ৪০-৫০ টাকা, পটোল কেজি ৪০-৫০ টাকা, ধুন্দলের দর ৬০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স কেজি ৩০ টাকা। কাঁচামরিচ কেজি ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শসার দর ৬০ টাকা কেজি ও পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া কেজি ৪০ টাকা। লাউ পিস দরে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
আলু কেজি ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজি ৩০-৪০ টাকা ও রসুন কেজি ৭০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গল্লামারী বাজারে সবজি ব্যবসায়ী এনামুল বলেন, কোরবানির ঈদের কারণে বাজার ক্রেতাশূন্য। আজ দোকান খুলেছি সময় কাটানোর জন্য। পাইকারি বাজারেও ভিড় নেই। চাহিদা না থাকায় দাম আগের মতো রয়েছে। বিক্রি ভালো না হলে একবার দোকান বন্ধ করে দেবো।
মুরগির বাজারে কেজি ব্রয়লার মুরগি দর ১৬৫-১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি কেজি দর ২৯০-৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি কেজি ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা জবেদ বলেন, চাহিদা কমে গেছে কোরবানি ঈদের জন্য। এজন্য পাইকারি বাজারে মুরগির দাম পূর্বের তুলনায় কম। খুচরা বাজারেও দাম কমে গেছে। তবে দাম কম থাকলেও বিক্রির হার কম।
মাছের বাজারে আকারভেদে রুই কেজি ২৫০-২৮০ টাকা, কাতল কেজি ২৪০-২৫০ টাকা, ভেটকি কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা, পাবদা কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা এবং চিংড়ি কেজি ৫০০-৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ও পাঙাশ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকায়।
মাছ বিক্রেতা মেহেদি বলেন, চিংড়ি ও তেলাপিয়া মাছ নিয়ে বসেছি। বাজারে অনেকে দোকান খোলেনি। ছুটি শেষ না হলে বাজার চাঙ্গা হবে না। সন্ধ্যার পর কাস্টমার পাওয়া যায় না। এজন্য একবার দোকান খুলছি।
গল্লামারী বাজারের ক্রেতা ফরহাদ হোসেন সজিব বলেন, কিছু সবজি ও নিরামিষ রান্নার জন্য চিংড়ি মাছ কিনতে এসেছি। দাম আগের মতো আছে। কিন্তু মাছের বাজার একেবারে মাছশূন্য। মুরগির দামও তুলনামূলক কমেছে বলে তিনি জানান।
অন্য একজন ক্রেতা লিটন মিয়া বলেন, বাজারে সবজি আছে। সবজির দাম কম আছে। কিন্তু টাটকা-তাজা সবজি একেবারে কম। অনেক ব্যবসায়ী নতুন সবজি আনেননি।
রোববার (৩১ মে) সকালে খুলনার গল্লামারী বাজার, নিউমার্কেট বাজার ও খালিশপুর বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
আরিফুর রহমান/এফএ/জেআইএম