News

কাদা ছোড়াছুড়ি বা দোষারোপ করে উন্নয়ন হয় না: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিমন্ত্রী জানান, দোষারোপ বা কাদা ছোড়াছুড়ি উন্নয়ন ঘটাবে না ক দ ছ ড় ছ ড় ব - ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন

Desk News
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিমন্ত্রী জানান, দোষারোপ বা কাদা ছোড়াছুড়ি উন্নয়ন ঘটাবে না

ক দ ছ ড় ছ ড় ব – ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বিষয়ে আলোচনা করেন ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি ঘোষণা করেন যে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। এখানে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে। কাদা ছোড়াছুড়ি বা দোষারোপের মাধ্যমে উন্নয়ন হয় না। আগের দিনের হিসাব এখানে টানলে হবে না। সবাই একসঙ্গে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী যদি ১০০ মাইল বেগে থাকেন আর আমরা মাইনাস ১০ মাইলে থাকি, তাহলে শুধু আমার ক্ষতি হবে না—সামগ্রিকভাবে সভায় উপস্থিত সবারই ক্ষতি হবে। প্রতিটি সেক্টরে খুব স্ট্রংলি মনিটরিং হচ্ছে।”

বরাদ্দ কৃত টাকার প্রতি জবাবদিহিতা থাকতে হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সুযোগ যখন আছে তখন উন্নয়ন প্রকল্পে কেউ বাধা দিচ্ছে না। শুধু উন্নয়ন বোর্ডের নয়, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদেরও সমান ভূমিকা প্রয়োজন। পুরাতন রীতিনীতি বাদ দিয়ে মানুষের টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ সংখ্যা

সভায় জানানো হয়, বরাদ্দ কৃত প্রকল্পগুলো কিছু টাকা দিয়ে শুধু গার্ডার ব্রিজ, কালভার্ট ও সামাজিক সেবার নামে খাদ্যশস্য ও নগদ টাকা দেয়ার মাধ্যমে মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষিত করে তোলার ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার কাজে উৎসাহিত করা আবশ্যক।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে ৮৭২ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। যার মধ্যে জিওবি খাতে ৭৩৯ কোটি ৭৯ লাখ ৭৯ হাজার এবং পিএ খাতে ১৩২ কোটি ৬২ লাখ টাকা নির্ধারিত। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত টাকা ছাড় হয়েছে ৪১০ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার, যা মোট বরাদ্দের ৪৭.০২ শতাংশ। মোট ব্যয়ের অগ্রগতি ৩৪৩ কোটি ৬৮ লাখ ৮৮ হাজার, যা মোট বরাদ্দের ৩৯.৪০ শতাংশ।

প্রকল্প অগ্রগতি ও সভাপতি

সভায় একাধিক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সেগুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এবং রাঙামাটি জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সংযোগ সড়কসহ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বিশ্লেষণ করা হয়। আরও উল্লেখ করা হয় জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়ন ও ওয়াটারশেড ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্প (CRLIWM-CH

Leave a Comment