পাওনা টাকা চাইতে গেলে কলেজ শিক্ষককে চাঁদাবাজ ট্যাগ দেওয়ার অভিযোগ
প ওন ট ক চ ইত গ – নওগাঁয় এক কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা চাইতে গেলে চাঁদাবাজ হিসেবে ট্যাগিং দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টার দিকে শহরের একটি রেস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ জানান শিক্ষক মেসবাহুউল হক।
ব্যবসায়িক ঘটনা ও বিতর্ক
মেসবাহুউল হক পোরশা উপজেলার নিতপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি অনুমোদন দিয়েছিলেন একটি ব্যক্তি থেকে ৮ বিঘা জমি লিজ নেওয়ার জন্য, যিনি পোরশা উপজেলায় ইটভাটা ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। সেই সময় জমির বিক্রি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং বিক্রি দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২১ লাখ টাকা। পরে তিনি পুনরায় আশরাফুল আলমের কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে পরে জমি রেজিস্ট্রি করার প্রস্তাব দিয়ে তিনি পার্শ্ববর্তী সমস্যা শুরু করেন। যখন জমি অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা হয় তখন সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তাকে অন্য স্থানে ডেকে নেওয়া হয়।
পুলিশের প্রতিক্রিয়া
গত ১১ মে বৈঠক শুরু হতে হঠাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মেসবাহুউল হক বলেন, পুলিশ সদস্যদের কল করে অপহরণের মিথ্যা অভিযোগ দাবি করে তাকে বাধ্য করে সেখানে পাঠানো হয়েছিল। পরে স্থানীয় থানায় ওসির উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তারা মাত্র সাড়ে ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করবে বলে জানায়। তিনি সাবেক দাবি করেন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ
আমার সম্মান হানি হয়েছে তাদের এই ট্যাগিংয়ে। আশা করছি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আশরাফুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কয়েকটি কল করা হয় কিন্তু তিনি প্রতিক্রিয়া দেননি। পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, একজন আটকে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু সেখানে কাউকে আটক অবস্থায় পাওয়া যায়নি। দুই পক্ষের মধ্যে টাকা-পয়সা ও জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আশরাফুল আলমের দ্বারা পুলিশ ডাকা হয়েছিল বলে জানান ওসি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল জাভেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম এবং প