News

এলপিজি খাতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু ও ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি

এলপিজি খাতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু ও ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি এলপ জ খ ত ওয় ন স - এলপিজি খাতে উদ্যোক্তাদের উপর পড়া অস্পষ্ট নীতিমালা এবং অনেক দপ্তরের

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

এলপিজি খাতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু ও ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি

এলপ জ খ ত ওয় ন স – এলপিজি খাতে উদ্যোক্তাদের উপর পড়া অস্পষ্ট নীতিমালা এবং অনেক দপ্তরের অনুমোদনের প্রক্রিয়া তাদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি করছে। এই মন্তব্য করে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব) একটি সরবরাহ করা সুবিধা চায় এবং লাইসেন্স অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করে দেওয়ার দাবি জানায়।

বৈঠকে সংগঠনের মূল দাবি

১৭ মে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভবনে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব দাবি জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাত খান, বিইআরসি সদস্য (পেট্রোলিয়াম) সুলতানা রাজিয়া এবং এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লা আমজাদ।

লোয়াবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট বাড়তে থাকলে এবং রান্নার কাজে এলপিজি ব্যাবহার বৃদ্ধি পেয়েছে তখন সরকার এলপিজি যানবাহনে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের পর এলপিজি অটোগ্যাস স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী নকশা অনুমোদন ও লাইসেন্স প্রক্রিয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, নীতিমালা অনুসারে প্রথমে নকশা অনুমোদন পেতে হয় এবং তারপর ১২-১৮ মাসের মধ্যে মেশিনারিজ স্থাপন করতে হয়। এর পর বিষ্ফোরক পরিদপ্তর ও বিইআরসি থেকে লাইসেন্স নিতে হয়।

২০২১/২২ সাল থেকে বিষ্ফোরক পরিদপ্তর নামক দপ্তরে নিয়োগ শুরু হওয়ার পর সাধারণ উদ্যোক্তারা লাইসেন্স পেতে পারছেন না। ফলে এলপিজি আমদানি করতে না পারলে ষ্টেশন মালিকরা অন্য অপারেটর থেকে সহজে গ্যাস নিতে পারেন না। এই জটিলতার কারণে আজ প্রায় ৭০০টি ষ্টেশন বিষ্ফোরক পরিদপ্তর এবং বিইআরসি কর্তৃক লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় আছে।

সরকার কিছু শর্তে আমদানি কীট ছাড় প্রদানের সুপারিশ ছাড়াও উন্নত দেশের মতো করে কনভার্শনের জন্য ডিজিটাল লাইসেন্সিং সেবা দেওয়া হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আজ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ষ্টেশন স্থাপনে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। বেশিরভাগ বিনিয়োগ ব্যাংক লোনের মাধ্যমে হয়েছে এবং সবাই এসএমই উদ্যোক্তা।

অপারেটরদের প্রধান সমস্যা

সরকার বৰ্তমানে প্রায় ২ লাখটি যানবাহন আছে, যেগুলো �

Leave a Comment