ঈদের পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) কসাই সংকটে কোরবানি চালু হয়েছে
কস ই স কট ঈদ র পরদ – পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসবের সমাপন হওয়া সত্ত্বেও ঢাকার কিছু এলাকায় পশু কোরবানির কাজ চলছে। যাইহোক এই দিনে মানুষের ভিড় ও ব্যস্ততা ঈদের দিনের তুলনায় কম। পূর্ব রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া এবং খিলগাঁও তালতলা এলাকাগুলোতে ছোট পরিবারের মানুষ নিজেদের কোরবানি করছেন বা স্থানীয় কসাইদের সাহায্যে পশু জবাই করছেন।
বাসিন্দাদের কথা
পূর্ব রামপুরার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঈদের দিন কসাই পাওয়া যায়নি। যারা পাওয়া গেল তারা অনেক বেশি টাকা চাচ্ছিল। তাই আজ নিরিবিলি সময়ে কোরবানি করলাম। ইসলামে তিনদিন পর্যন্ত কোরবানি দেওয়ার সুযোগ আছে।
ঈদের দিন হোক বা পরবর্তী দিন হোক, কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় তাঁর নামে কোরবানি করেছি। এখন কবুল করার মালিক আল্লাহ।
মালিবাগ হাজীপাড়া এলাকায় একটি গরু কোরবানি করে দিয়ে মাংস কাটাকাটি করছেন কয়েকজন। এদের একজন কসাই পাপ্পু বলেন, গতকাল সাতটা গরু কাটার কাজ করেছি। কিন্তু কসাইদের সময় দেওয়া হয়নি বলে আজ সকালে কাজ করতে হয়েছে।
ঈদের দিন কসাই পাওয়া কঠিন হওয়ায় হাজীপাড়ার খোরশেদ আলম জানান, আমরা তিনজন কসাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু কেউ ঈদের দিন সময় দেনি। আজ পরিবেশ বেশ ঠান্ডা। নিরিবিলি পরিবেশে কোরবানি করা সম্ভব।
আমরা চেষ্টা করেছিলাম ঈদের দিন গরু কোরবানি করতে। কিন্তু কসাই পাওয়া যায়নি। তাই একদিন পরে কোরবানি দিতে হয়েছে।
খিলগাঁও তালতলার একটি বাসার সামনে কয়েকজন কোরবানি গরুর মাংস কাটছেন। আব্দুল হালিম নামের এক কসাই বলেন, অধিকাংশ কোরবানি গতকাল হয়ে গেছে। আজ অল্প কিছু কোরবানি হচ্ছে। আজ কাজের চাপও কম। গতকাল ৬টা গরু ও ৪টা ছাগল কাটার কাজ করেছি।