হিজাজ রেলপথ সম্প্রসারণে তুরস্কের পরিকল্পনা
ঐত হ স ক হ জ জ – তুরস্ক ঐতিহাসিক হিজাজ রেলপথ আধুনিক করে তুলছে এবং এটি ওমান পর্যন্ত বিস্তারের জন্য পরিকল্পনা করেছে। এ বিষয়ে পরিবহন ও অবকাঠামো মন্ত্রী আব্দুল কাদের উরালওলু বলেন, এই প্রকল্প বৈশ্বিক বাণিজ্যপথ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে যা হরমুজ প্রণালির নির্ভরতা কমাতে কার্যকর উপায় হতে পারে।
প্রকল্পের প্রথম ধাপ
বুধবার (৩ জুন) ঘোষণা করা হয়েছে যে তুরস্ক আলেপ্পো সহ দুর্দম সংযুক্ত করবে। এর জন্য আলেপ্পো-দামেস্ক-জর্ডান রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হবে। সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
তুরস্ক ঐতিহাসিক রেললাইনটি পুনরুজ্জীবিত করতে চায় যা পর্যটন এবং আধুনিক পরিবহন উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হবে।
বিস্তার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
তুরস্ক আন্তর্জাতিক অর্থায়নের মাধ্যমে মহাসড়ক, রেলপথ, জ্বালানি ও যোগাযোগ অবকাঠামো বিশিষ্ট একটি বৃহত করিডোর গঠন করছে। এ করিডোর দীর্ঘতা ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইরাক ও তুরস্ক এর অংশীদার হবে।
নির্মাণ কাজের আগে আঞ্চলিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে। মধ্য করিডোরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জাঙ্গেজুর করিডোরে বিস্তারের জন্য তুরস্ক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
গৃহীত মুখ্য লক্ষ্য
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দরপত্র আহ্বান করা হবে এবং এই বছরের শেষ পর্যন্ত নির্মাণ শুরু হবে। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে মালবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পে ভূমিকা পালন করবে একটি ৬ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ।
রেলপথের ঐতিহাসিক সংস্করণ
হিজাজ রেলপথ ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক উপকরণ। এটি দামেস্ক থেকে সৌদি আরবের মদিনা পর্যন্ত প্রায় ১,৩২২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ছিল। পরে অতিরিক্ত লাইনের সংযোগে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৯০০ কিলোমিটার হয়ে ওঠে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৬-১৯১৮) এই রেলপথ ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়।