হুলারহাট লঞ্চঘাটে নেই ব্যস্ততা, বন্ধ শতাধিক প্রতিষ্ঠান
হ ল রহ ট লঞ চঘ ট – হুলারহাট লঞ্চঘাট ছিল পিরজপুরের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের অপর গুরুত্বপূর্ণ পথ। এ স্থান এক সময় পদ্মা সেতুর প্রতিষ্ঠানের সংকটের সামনে স্টিমার ও লঞ্চের প্রধান স্থান ছিল। কিন্তু সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধা উন্নতির পর নৌপথে ব্যস্ততার কমতে শুরু হয়। লঞ্চের চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে এখানে ব্যবসায়ী ও সামাজিক গতিবিধি বদলায় চলছে। বর্তমানে হুলারহাট লঞ্চঘাট কেন্দ্রীক শতাধিক প্রতিষ্ঠান অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।
পুরোনো জীবন পরিবর্তনের সাক্ষী
লাল মিয়া বলেন, পূর্বে হুলারহাট লঞ্চঘাটে প্রতিদিন সাড়া দশ লঞ্চ চলত। ঈদের সময় আসামী রোদের কম পরে প্রতিদিন আসত প্রায় আট লঞ্চ। এ কারণে এখানে যাতায়াতের দৈনিক হার কমে গেছে। এখন এ স্থানে ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের সম্পূর্ণ আপন করার সুযোগ নেই। পুরোনো গুরুত্ব ক্ষীণ হয়ে এলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জীবন।
সামাজিক এবং আর্থিক আক্রমণ
হুলারহাট লঞ্চঘাট বন্ধ হওয়ায় এ এলাকার অনেক ব্যবসায়ী তাদের কারবার বন্ধ করে দিয়েছেন। কিছু প্রতিষ্ঠান নতুন উপায় খুঁজছে। এখন এ স্থানে কোনো লঞ্চ চলছে না বলে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু চালুর পর এ পথে যাতায়াতের দৈনিক আপেক্ষিক ব্যবস্থা বিক্ষিপ্ত হয়ে এসেছে। পাঠকদের নতুন আপন করার সুযোগ হয়নি।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় হুলারহাট লঞ্চঘাটে লঞ্চের প্রয়োজন হচ্ছে বলে জানাই সাইফুল ইসলাম মাতুব্বর। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লঞ্চ চলছে না। অন্তত একটি লঞ্চ প্রতিদিন চলতে পারলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘাটে আসামী রোদ হত।
হুলারহাট লঞ্চঘাট সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতে এখন প্রতিদিন এ স্থানে বিদেশি যাত্রী আসে না। বরং পদ্মা সেতু দ্বারা প্রত