ইস্পাত দৃঢ় বন্ধুত্ব
ইস প ত দ ঢ় বন ধ – বিশ্বের বিভিন্ন সংকট সমাধানের জন্য মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্প এপ্রিল মাসে চীন ভ্রমণ করেন। তিনি এই সফরের চার দিন পর চীনা রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির পুতিন। পরাশক্তি দুই দেশের প্রধানদের পর এবার সার্বিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান আলেক্সান্ডার ভুচিচ চীন সফরে গেলেন।
২৪ মে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচের সফর বেইজিংয়ে পৌঁছেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বলেছেন, ভুচিচ প্রেসিডেন্টের এই সফর ২৪ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত চলবে।
বিশেষ অভ্যর্থনা ও আগমন
বেইজিংয়ে ভুচিচ আগমনের শীঘ্রই একটি কর্মসূচি প্রস্তুত হয়েছে। তিনি সার্বিয়া থেকে চীনে প্রথম মহাপ্রাচীর দেখা করেন। সামাজিক মাধ্যমে মহাপ্রাচীরের ছবি প্রকাশ করে ভুচিচ লিখেছেন, এই সফরে তিনি পূর্বে বহুবার চীনে গিয়েছেন কিন্তু প্রথম কালে মহাপ্রাচীর দেখার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রতীক হিসেবে মানব সভ্যতার অন্যতম বৃহৎ প্রতীক হিসেবে এই স্থানের গভীর অনুভূতি জন্ম দিয়েছে।
২৪ মে সন্ধ্যায় ভুচিচ চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করতে চলেছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে সার্বিয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে চীনের সাথে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি’ গঠন করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও কঠোর করবে এবং ইউরোপের বড় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সার্বিয়ার কূটনীতি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ বাড়াবে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, সার্বিয়া চীনের সহযোগিতা আরও গভীর করার জন্য প্রস্তুত।
আরও বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষকদের মতে, সফরটি অবকাঠামো, জ্বালানি ও বাণিজ্যের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো নতুন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে।