পাবনা / মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা-লুটপাট
প বন মসজ দ র ম ইক – সাঁথিয়া উপজেলার পাথাইল হাট এলাকায় বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করে হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনাটি শুক্রবার (২২ মে) রাতে ঘটেছে যাতে পাঁচ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার (২৪ মে) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাটের সামনে মানববন্ধন করে ভুক্তভোগীরা ঘটনাকে নতুন করে বিশ্লেষণ করেছেন।
গত সংসদ নির্বাচনের পর থেকে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে আরও উত্তাল সংঘাটন চলছিল। মার্চে জামায়াত সমর্থকরা বিএনপি সমর্থকদের দোকান ভাঙচুর করে এবং রাসেল নামের ব্যবসায়ীর জোরপূর্বক পেঁয়াজ লুট করে। আসামিরা গ্রামের মানুষের জমি থেকে জোরে পেঁয়াজ বাজার করে।
শুক্রবার দুপুরে হামলার শুরু হয়। মাস্টারের নেতৃত্বে এক দল সাংঘাতিক হামলা চালিয়ে দোকানপাট ভাঙে। ঘটনার পর তারা রাসেল বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী ও বাচ্চাকে মারধর করে। নগদ ২ লাখ টাকা, ৬ ক্যান দুধ ও কীটনাশক লুট করে নেওয়া হয়। মোট ক্ষতি প্রায় ১৫ লাখ টাকার মত হয়েছে।
নারীদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণ হুমকি
মর্জিনা খাতুন অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের কেবল ভাঙচুর ও লুটপাট নয়, নারীদের শ্লীলতাহানি করে ধর্ষণের হুমকিও দেয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ভাইয়ের বাড়িঘর ভাঙে ও লুট করে।
আমার ভাসুর ও ছেলেরা বলেছিল, মরলেও এক জায়গাতেই কবর হবে, তাহলে নামাজ আলাদা হবে কেন? সবাই মিলেমিশে পড়ব।
পুলিশ দাবি করেন, ঘটনার খবর পেয়ে চারজনকে ঘটনাস্থলে আটক করা হয়। এ পর্যন্ত একটি মামলা হয়েছে যার আসামি হযরত আলী মাস্টার, শাকিল, রবিউল ইসলাম কালু ও মেহেদী হাসান জুয়েল।
বিএনপি নেতা নাজিবুর রহমান অভিযোগ নিন্দা করেন। তিনি বলেন, ঝামেলার বিষয়টি আমি প্রথম সাংবাদিকদের কাছ থেকে শুনলাম। অপরাধমূলক ঘটনাকে দলীয় রঙ দেওয়া ঠিক নয়। অপরাধী যে দলেরই হোক, তার বিচার হওয়া উচিত।