ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের সংঘর্ষে নছিমন চালক মারা গেছেন
ঝিনাইদহে ঘটনার তদন্ত শুরু
ইসল ম ব শ বব দ য – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) বাস ও নছিমন যান একটি প্রাণঘাতী সংঘর্ষে শৈলকূপা উপজেলার বড়দাহ এলাকায় মৃত্যু ঘটে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। ইবি বাসের চালক আবদুস সালাম রনি এবং তার সহকারী চালক আহত হন। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংঘটিত ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় যে আহত চালককে স্থানীয় মানুষ মারধর করেছেন। ইমরান হোসেন নামক নছিমনের চালক এ ঘটনার পর কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু তিনি মৃত্যুর পূর্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে আলোচনা করেছেন।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইবি প্রশাসন পুলিশকে অপমৃত্যুর মামলা করার জন্য নির্দেশ দেয়। নছিমন বাসের চালক ইমরান হোসেন স্থানীয় গুরুতর আহত হন। তিনি রানীনগর গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে ছিলেন। ঘটনার পর তাঁর উপর সংঘটিত হওয়া ক্ষতির পরিমাপ করতে স্থানীয় ডাক্তার ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত হন। ইবি বাসের সাথে নছিমনের সংঘর্ষ হয়েছিল কিন্তু ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি অবনতি ঘটে। চালক ইমরান হোসেন গুরুতর আহত হন এবং তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তদন্ত করে ঘটনার কারণ খুঁজছে। তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে আহত চালকের অবস্থা ও ঘটনার পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছে। ইবি বাস কুষ্টিয়া জেলার গাড়াগঞ্জ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় যখন তার অবস্থা আরও ভালো হয়ে ওঠে। তাঁর মৃত্যুর পূর্বে তিনি ঘটনার তদন্তে সহায়তা করেছিলেন। ঘটনার পর নছিমন বাসের চালক অপসারণ করা হয়। ইবি বাস গুরুতর আহত চালকের প্রতি আঘাতের পরিমাপ করে।
“ঘটনার পর আমরা শীঘ্র ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। তদন্ত কমিটি গঠন করে ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সূত্র থেকে জানা গেছে যে ইবি বাস গাড়াগঞ্জ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আহত চালকের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর হয়েছে কিন্তু মৃত্যুর আগে সে প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছেন। ঘটনার পর নছিমনের চালক কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি পরিস্থিতি আরও কুপিত হয়ে মৃত্যুর আগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
ঘটনার পর ইবি বাস কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে যখন নছিমনের চালক ইমরান হোসেন স্থানীয় ডা�