জাবি চল আন্দোলনে ছাত্র সংহতি জানানো হয়েছে
জ ব ত চল আন দ লন – জাবি চল আন্দোলন চলমান আন্দোলনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মৌন মিছিল করে এবং এ আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করে। বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে শেষ হয়। এই মিছিলে ছাত্ররা নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদ জানায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদের মানদণ্ড স্থাপন করা হয়েছে
আন্দোলনের প্রধান প্রতিনিধি ইভান তাহসীব বলেন, এ ধরনের ঘটনার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংহতি জানানো হয়েছে এবং প্রশাসনকে নিরাপদ পরিবেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি জাবি প্রক্টরের অদায়িত্বশীল মন্তব্যের সমালোচনা করেন এবং এ বিষয়ে ছাত্রদের হতাশা বৃদ্ধি করেছে বলে অভিহিত করেন। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সদস্যরা নিরাপত্তার অভাব ও জাবি চল আন্দোলনের গুরুত্ব নীতিগুলি স্থাপন করার দাবি জানায়।
“ন্যায়বিচারের অভাব ও অসংবেদনশীল আচরণ প্রায়ই শিক্ষার্থীদের হতাশা বৃদ্ধি করে। জাবি চল আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের সমালোচনা করতে এবং আত্মরক্ষার আবেগ প্রকাশ করতে হয়,” বলেন শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকা। তিনি তাঁর আত্মহত্যার ঘটনার সম্মুখীন হওয়ার পর আন্দোলনে সংহতি জানায়।
জাবি চল আন্দোলন বর্তমানে অনেক ছাত্রদের মাঝে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা আরও প্রতিবাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের কথাগুলি বলে, প্রশাসনের ভূমিকার অভাব প্রতিবাদের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাবি চল আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানোর পাশাপাশি এ আন্দোলনে নৈতিক আহ্বান ছিল এবং ছাত্রদের সাধারণ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়েছে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এবং জাবি চল আন্দোলনের মিলিত সাংগঠনিকতা দ্বারা প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের সম্মুখীন হওয়া নিরাপত্তা হীনতা এবং প্রতিবাদের প্রাচুর্য প্রকাশ করে। তাদের দাবিতে অদায়িত্বশীল মন্তব্যের প্রতিক্র