জর্ডানেও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের
জর ড ন ও ম র ক – জর্ডান ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের স্থায়ী মুখ্য সংস্থা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কাছে জানানো হয়েছে। এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান দাবি করেছে যে তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং জর্ডানের আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ খবর প্রকাশের পর বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক নতুন কূটনৈতিক গোলযোগে পরিণত হয়েছে।
হামলার পটভূমি
আইরজিসি জানায়, তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা এবং জর্ডানের আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এই ঘটনার পর সাম্প্রতিক সংঘাতের স্বাক্ষর ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান ও মার্কিন সামরিক কেন্দ্রগুলো বিশেষ করে পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কা একটি নতুন স্তরে উঠেছে। ইরানের স্থায়ী সামরিক ক্রমাগত সংঘাতের অংশ হিসেবে জর্ডান ও মার্কিন সামরিক সংস্থার উপর হামলার ঘটনা হামলার সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
প্রতিশোধের প্রক্রিয়া হিসেবে জর্ডান ও মার্কিন ঘাঁটির স্থানে হামলার ঘটনা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে এটি পূর্বের সংঘাতের নতুন কোন পরিবর্তন নয়। কিন্তু এই সম্প্রদায়ে ইরান দাবি করেছে যে জর্ডান ও মার্কিন ঘাঁটির সুরক্ষার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তারা সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারেনি। হামলার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আসার আগে বিশ্লেষকদের মতে জর্ডান ও মার্কিন ঘাঁটির স্থানে এই ধরনের সংঘাত আরও বিস্তার লাভের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং পরিস্থিতির আগামী দিকনির্দেশ
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যখন মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার কারণে জর্ডান ও মার্কিন ঘাঁটি এবং আঞ্চলিক সম্পর্কের উপর আঘাত হয়েছে। এই হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান দাবি করেছে যে তারা জর্ডান ও মার্কিন ঘাঁটির সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশোধ নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ বা মৃতের পরিমাণ সম্পর্কে স্বাধীন তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার ফলে জর্ডান ও মার্কিন সংস্থার মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক বিপন্ন হয়েছে। তবে ইরান দাবি করেছে যে তারা জর্ডান ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটির সংশ্লিষ্ট দেশগুলোক