মন্ত্রী ছদ্মবেশে যাত্রীদের ভোগান্তি অনুভব করেন
ছদ মব শ য ত র দ – ভারতের কর্ণাটকের পরিবহনমন্ত্রী বাইরাথি সুরেশ ছদ্মবেশে যাত্রীদের প্রতিদিনের সমস্যার অনুভব করতে সাধারণ মানুষের বেশে বেঙ্গালুরু মহানগর পরিবহন সংস্থা (বিএমটিসি) একটি বাসে ওঠেন। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে তিনি হেব্বাল থেকে নাগাশেট্টিহাল্লি যাওয়ার জন্য দুটি টিকিট চান। যাত্রীদের ভোগান্তি অনুভব করতে এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
যাত্রীদের ভোগান্তির পরিচয়
বাসে ওঠার সময় কন্ডাক্টরের হাতে ১০০ রুপি প্রদান করেন মন্ত্রী। কন্ডাক্টর খুচরা টাকা চান এবং মন্ত্রী তার কাছে খুচরা টাকা ছিল না বলে জানান। জবাবে কন্ডাক্টর মন্ত্রীকে বলেন যে তার কাছেও পর্যাপ্ত খুচরা টাকা নেই। এটি যাত্রীদের ভোগান্তির একটি স্পষ্ট চিত্র দেখায়।
বাস কন্ডাক্টর মন্ত্রীকে খুচরা দিতে না পারলে বাস থেকে নেমে যেতে বলেন।
সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১০ মিনিট পর্যন্ত মন্ত্রী জয়ামহল, টিভি টাওয়ার, আরটি নগর, সিবিআই রোড এবং অন্যান্য এলাকার মাধ্যমে যাত্রীদের ভোগান্তি অনুভব করেন। এ সময় তিনি কিছু দূর অটোরিকশার মাধ্যমে যাতায়াত করেন এবং খুচরা দাবির পরিস্থিতি দেখেন।
যাত্রীদের ভোগান্তি কী কী হতে পারে
নাগাশেট্টিহাল্লি এলাকায় মন্ত্রী একটি অটোরিকশার মিটারে ভাড়া দেখালে চালক তার কাছে ৩৬ রুপি দাবি করেন। প্রশ্ন করলে চালক জানান যে মিটারের পুনঃসমন্বয় করা হবে এবং পরে মন্ত্রী ৪০ রুপি পরিশোধ করে অটোরিকশার মাধ্যমে যাত্রীদের ভোগান্তির কিছু স্পষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়।
যাত্রীদের ভোগান্তির প্রধান কারণগুলি হলো ভাড়া অস্পষ্টতা, অপেক্ষার সময় বাড়া, এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার সমস্যাগুলি। মন্ত্রীর পরিদর্শনের মাধ্যমে এগুলি স্পষ্ট হয়ে আসে।
এই অভিযানের মাধ্যমে মন্ত্রী কী কী যাত্রীদের ভোগান্তির অনুভব করেন তা সংক্ষিপ্ত ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি প্রতিদিন বেশ কয়েকটি ঘটনার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
সাধারণ যাত্রীদের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির প্রতিক্রিয়া আসে যখন তারা যাতায়াত করে মন্ত্রীকে ভোগান্তি অনুভব করতে দেখেন। মন্ত্রীর এই অভিযানের মাধ্য