মন্ত্রী ‘না’ বলার পরও বিপিসির প্রধান কার্যালয় সরাতে চিঠি চেয়ারম্যানের
মন ত র ন বল র পরও – গত ২৯ মে চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচিত কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে থাকবে না বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তার এই আশ্বাসের পর মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। তিনি চিঠিতে জানান যে বিপিসির আওতাধীন সংস্থাগুলোর কাজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্তার লাভ করেছে এবং তার কার্যক্রম ঢাকায় সংগঠনের পরিধি দেখা সহজ হবে।
গত ১৭ জুন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি প্রেরণ করেন বিপিসি চেয়ারম্যান। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরানো হলে আইন সংশোধন করতে হবে। এটি প্রকৃতপক্ষে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মন্ত্রী কর্তৃক আশ্বাস দেওয়ার পরও বিপিসির সর্বাধিক সুপারিশ করা হয়েছে।
“বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে সরানো হবে না। অর্থমন্ত্রী এমন আশ্বাস দিয়েছিলেন। এটি ইতিবাচক মতামত ও সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরানো বিপিসির গতিশীলতা কমিয়ে দেবে।” – মানজারে খোরশেদ আলম, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের সাবেক মহাব্যবস্থাপক
বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুর সফরে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (২৩ জুন) দেশে ফিরেছেন। তবে গত ১৭ জুন চিঠি প্রেরণ করার পর তিনি দাপ্তরিক মুঠোফোনে ফোন করায় সুবিধা পেয়েছেন না।
আইন পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরানো হলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক প্রেরিত পত্র অনুযায়ী কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধি অনুসারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ প্রদানের জন্য বিপিসির মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
বিপিসির কার্যক্রম চট্টগ্রামে
বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন আইন ২০১৬ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। ওই আইনের ধারা ৫(১) অনুযায়ী করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে থাকবে। সাথে ধারা ৫(২) অনুযায়ী করপোরেশন স্বাধীনতার ভিত্তিতে যে কোনো স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করতে পারে।
“১৯৭৬ সালের ১১ নভেম্বর ৮৮ন