রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ: পর্তুগালের সোনালি প্রজন্ম কি ইতিহাস গড়বে?
র ন লদ র ষষ ঠ ব – পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে নামে উল্লেখ করা হয়েছে ইউসেবিও, রুই কস্তা, ডেকো, নানি এবং লুইস ফিগো কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের নাম। তবে দলের ইতিহাসে বিশ্বকাপ জয় করেছে কে না তার কথা শোনা যায় না। এ দেশের ক্লাবগুলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের স্বাক্ষর দেখা গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিয়োগিতায়। তবে বিশ্বকাপে এখন অবধি এদের কোনো আসরে তাদের ভক্তদের কাছে কোনো প্রতিকূল স্থান দেখা যায়নি।
১৯৬৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর পর্তুগাল তার ইতিহাসে আবার একটি উত্সাহের বার্তা দিয়েছিল। তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য হল সেখানে তৃতীয় স্থান অর্জন করা প্রায় ষাট বছর পর। যদিও এ দেশটি এখনও প্রতিয়োগিতার শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি একবারও।
রোনালদো বিশ্বকাপে জয় করতে চাহিয়া শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়েছেন
অভিষেক আসরে তৃতীয় স্থান অধিকার করলেও এরপর শুধু ২০০৬ সালে একবার সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার সৌভাগ্যটা অবধি তাদের কাছে সূত্র থেকে একটি প্রতিকূল স্থান রয়েছে। অথচ এবারের আসরে পর্তুগালকে নিয়ে আলাদা উন্মাদনা কেন রয়েছে?
মেসির সঙ্গে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে এই আসর তার জন্য বিশেষ অর্থ প্রদান করেছে।
৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখন অবধি আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার ভূমিকা পালন করছেন (১৪৩ গোল)। সেই সঙ্গে তার সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও রয়েছে (২২৯ ম্যাচ)। তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম ১০০ গোল করার রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্থান রাখছেন (১৪টি গোল)। ক্লাব ফুটবলে তিনি সর্বোচ্চ স্বপ্ন গড়ে তুলেছেন একটি নূতন কাহিনী।
রোনালদো মার্তিনেজের অধীনে পর্তুগাল সাধারণত ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলে থাকে। প্রতিয়োগিতায় তার স্বপ্ন পূরণ করতে এই দলের প্রতিকূল স্থান রয়েছে। এখ