সিলেট টেস্ট / বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস গড়ার কৌতুহলী ক্ষণ
স ল ট ট স ট প – সিলেটের টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ের কাছাকাছি হয়েছে। পাকিস্তানের কাছে আটকানো সম্ভব হয়েছে এমন অতিলৌকিক ঘটনা না ঘটলে এই খেলার ফলাফল আরও ভিন্ন হতে পারে। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তান চলমান ইনিংসে ৩১৬ রান করেছে, যেখানে তাদের দরকার ছিল ১২১ রান এবং তিনটি উইকেট। তবে তাইজুল ইসলামের প্রতিরোধে পাকিস্তানের শেষ ভরসা রিজওয়ান ও সালমান আলি আগার ব্যাটিং এবং মাটি কামড়ে পড়া বাংলাদেশকে জয়ের সুবাস দিয়েছে।
তিনি আব্দুল্লাহ ফজলের উইকেট নেওয়ার পর চতুর্থ দিন শেষে দলীয় প্রতিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার বলে গালিতে ক্যাচ দেওয়ার ফলে ফজল বাঁচিয়ে চলেছেন ৬ রান। অন্য ওপেনার আজান আওয়াইস ইনিংস বড় করতে পারেনি, যেখানে লেগ বিফোরের ফাঁদে মিরাজের বলে তিনি আউট হন। তাই পাকিস্তানের দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
বাবর আজম ও শান মাসুদ দুই উইকেট হারালেও খেলার হাল ধরেছেন। দুজনের সাথে ৯০ রানের জুটি পার করেন। কিন্তু শেষ বিকেলে তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সালমান আগাকে বোল্ড করেন তিনি। আগার ইনিংস মাত্র ৭১ রানে শেষ হয়। এরপর হাসান আলিকে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর দারুণ ক্যাচ বানান। এতে পাকিস্তানের তৃতীয় উইকেট নেওয়া হয়।
স্পিনারের বিদায় এবং শান মাসুদের সাথে অর্ধশতক করে বাবর আজম ইনিংসে ফিরেছেন। সিলেটে এই টেস্টের ফল বাংলাদেশকে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ দেবে। তারা প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে চার টেস্ট জয় করেছেন।
সামনে আসা লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান, যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ চার উইকেটে ৩৯০ রান করে। তবে পাকিস্তান সেই লক্ষ্য আসে ৪৩৭ রানের সঙ্গে জুড়ে করেছে বলে বলেছেন মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরি। তাই টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার আগে নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাদের।
তাইজুল ইসলামের ক্যাচে বাবর আজম এবং শান মাসুদ বাঁচানোর পর পাকিস্তানের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তিনি। শান মাসুদ তার ইনিংসে লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়ে মাহমুদুল হাসানের ক্যাচে আউট হন। পাকিস্তান চতুর্থ উইকেটের পতন হয়েছে ১৫৪ রানে।