কর বাড়ছে, কমছে মানুষের বেঁচে থাকার সামর্থ্য
বেকারত্ব ও আয় হ্রাসের পরিস্থিতি
কর ব ড়ছ কমছ ম ন ষ – মানুষের আয় হ্রাস পেয়েছে না বরং প্রতিদিনের খাবার দাম বেড়েছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না বলে বেকার বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিক্ষিত ও তরুণদের ক্ষেত্রে। বহু মানুষ কাজ হারিয়ে পথে বসেছেন, মধ্যবিত্তদের বড় অংশ নিম্নবিত্তের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের ওপর কর বাড়ানো হচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রায় দ্বিগুণ দাম নির্ধারণ করছে। এই ক্ষেত্রে কেন সবকিছু বাদ দিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষকে কর আওতায় ফেলা হচ্ছে তা প্রশ্ন উঠেছে। চাল, ডাল, তেল, ফল সহ ২৮টি খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানো পরিকল্পনা করা হয়েছে। কৃষি ও খাদ্য স্থানীয় সরবরাহের উপর কর শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এক শতাংশ করে উদ্দেশ্য হচ্ছে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও কর ফাঁকি রোধ।
জনগণের সামান্য জীবন বিপন্নতা দেখা দিচ্ছে
এই কর বৃদ্ধির আগেও বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছিল। সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছে, তাদের জন্য আরও কঠিন পরিস্থিতি আসছে। কর বৃদ্ধি মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়বে বাজারে, যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ক্ষীণ হবে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য আয় কমে যাওয়া ছিল বড় উদ্বেগের বিষয়, কিন্তু এখন দাম বাড়ছে আরও বেশি।
বিলাসসামগ্রী বাদ দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর কর দ্বিগুণ করার কারণ কী? এ তালিকায় যা যা রয়েছে, সেগুলো সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের খাবার। চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, ছোলা, মসুর ডাল সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে তাদের দুর্দান্ত অবস্থা প্রসূত হবে।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দরকার
পরিবার পর্যায়ে মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শহরের মানুষের আয় কমেছে কিন্তু খরচ বেড়েছে। দরিদ্র পরিবারে মোট খরচের প্রায় ৫৫ শতাংশ বেঁচে থাকার জন্য খাবারের পেছনে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। দুর্দান্ত অবস্থায় শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় সব ধরনের দুর্বলতা তৈরি করছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বহু জমির ধান, আলু ও অন্যান্য ফসল বিপর্যয় হয়েছে। কৃষকদের কাছে সেগুলো পৌঁছে চলেছে না বিভিন্ন বাধার কারণে। ঋণের বোঝা কৃষকের মাথায় ঝুলছে, যার ফলে