বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম, কৃষি কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ
ব ক ষর পণ কর মস চ – বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম জুলাই মাসে আদেশ জারি করেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ শুভ্রকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন এবং তাকে আগামী ২২ জুলাই সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফিরে আসতে নির্দেশ দেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ও সার্বিক প্রক্রিয়া অনিয়মের অভিযোগে বদলি হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে তদন্ত প্রক্রিয়া চালু হয়।
অনিয়মের আবেদন ও কর্মসূচির সমীক্ষা
১৬ জুন থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা, বাঁশের খুঁটি এবং জৈব সার বিতরণ শুরু হয়। কৃষকদের অভিযোগ অনুযায়ী প্রতি পিস ৫০ টাকা মূল্যের বাঁশের খুঁটি দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু তারা মাত্র ১০-২০ টাকার খুঁটি পান। একই সময়ে গোবরভিত্তিক জৈব সারের পরিবর্তে কোম্পানির সার বিতরণ করা হয় যার মূল্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত হারে সার দেওয়া হয়। এর ফলে কয়েক হাজার কৃষক এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করে অনিয়মের সম্পূর্ণ বিবরণ আবেদন করেন।
আবু সাঈদ শুভ্র জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি এই কার্যালয়ে এক মাস আগে যোগদান করেছি। আমার আগে দায়িত্বে ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা যিনি আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আমি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের দুর্নীতির শিকার হয়েছি।’
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু হওয়ার পর থেকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য কৃষিকারীদের মধ্যে সম্প্রসারণ ও স্থায়ী উন্নয়ন ঘটানো। কিন্তু কর্মকর্তার কাছে সার্বিক কর্মসূচির ধন ও সম্পদ বিতরণে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তিনি সেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা বিতরণে পরিচিত কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রক্রিয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বৃক্ষরোপ