Country

‘বিশুদ্ধ পানি নেই, জমে থাকা কাদামাখা পানি খেতে হচ্ছে’

‘বিশুদ্ধ পানি নেই, জমে থাকা কাদামাখা পানি খেতে হচ্ছে’ ব শ দ ধ প ন ন - বিশুদ্ধ পানি নেই বলে জানাচ্ছেন সীমান্তে আটকে থাকা মানুষ। বিএসএফ কর্মকর্তারা জিরো লাইনে

Desk Country
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘বিশুদ্ধ পানি নেই, জমে থাকা কাদামাখা পানি খেতে হচ্ছে’

ব শ দ ধ প ন ন – বিশুদ্ধ পানি নেই বলে জানাচ্ছেন সীমান্তে আটকে থাকা মানুষ। বিএসএফ কর্মকর্তারা জিরো লাইনে এক পরিবারের সদস্যদের সময় বেশি ধরে রেখেছেন। তিন দিন ধরে তারা ঝড় বৃষ্টি আর তীব্র রোদের মধ্যে আটকে থাকছে। প্রাথমিক খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা না পেয়ে এখন এই সমস্যার সামনে মানুষদের কষ্ট সামনে রয়েছে। বিশুদ্ধ পানি নেই তাই মানুষ পানি খেতে হচ্ছে এখন কাদামাখা এবং ময়লা সমাহারে।

সীমান্ত পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ

বড়বাড়ী সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের নিয়ে দুই পরিবারের ১০ সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। তারা মেইন পিলার ৭৫৮-এর অংশ হিসেবে ওই সাব-পিলার এলাকার কাছে পুশইন চেষ্টা করেছিল। অবশেষে বিজিবির বাধার মুখে সীমান্তে অবস্থান বিধান করা হয়েছিল। সেখানে পানি ও খাবার প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ বিশুদ্ধ পানি নেই এবং তীব্র আবহাওয়ার কারণে পুনর্বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। এ সমস্যার কারণে মানুষের জীবন দুর্দান্ত হয়ে আসছে।

“যৌথ বাহিনীর দুই দিন ধরে বিশুদ্ধ পানি নেই বলে অবস্থা পরিস্থিতি ভাল নয়। আমরা এতদিন রাতে বৃষ্টি হয়েছে, দিনে তীব্র সূর্যালোক আসছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের পানি খেতে হচ্ছে এখন কাদামাখা ও ময়লা সমাহারে,” বলেছেন আব্দুস সালাম। সে নিয়ে এই অবস্থা কাটাচ্ছি কিন্তু কতদিন এভাবে থাকতে হবে তা জানি না।

প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা

বিশুদ্ধ পানি নেই বলে অভিহিত করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কয়েকটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এখনো কোনও সমাধান হয়নি। সর্বশেষ বৈঠকে বিএসএফ দাবি করেছে যে বাংলাদেশ এখন কোনও পরিস্থিতি প্রতিকূল হয়েছে। বিজিবি তার মন্তব্য দিয়ে বলেছে যে রাতের আঁধারে কাউকে পুশইন করা আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিকদের আটকে রাখার দাবি করেছে।

বিশুদ্ধ পানি নেই এটি এই সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। কাদামাখা পানি খেতে হচ্ছে এবং জীবন কঠিন হয়ে আসছে। হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইয়েদ নুরে আলম জানান, সীমান্তে আটকে রাখা কোন মানবিক পদক্ষেপ নয়। তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি নেই বলে তারা খাবার ও পানি সুবিধা পেতে না পেয়ে আটকে থাকছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, তিন দিন ধরে মহিলা ও শিশুদের বিশুদ্ধ পানি নেই এ কষ্ট দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, সাহায্য করার চেষ্টা করছি কিন্তু সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে সবসময় তা সম্ভব হচ্ছে না। কাদামাখা পানি খেতে হচ্ছে এবং জীবন কঠিন হয়ে আস

Leave a Comment