৪ বছরেও জোড়া লাগেনি সাবমেরিন ক্যাবল, আজও অন্ধকারে মদনপুর ইউনিয়ন
৪ বছর ও জ ড় ল গ – ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে চার বছর ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। মেঘনা নদীর তলদেশে স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার পর থেকে বিদ্যুতের সংযোগ কোনো ভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়নি। এতে মদনপুর ইউনিয়ন ও কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ দুঃখে পড়েছেন।
বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হয়ে পড়েছে এবং ফ্রিজ, টিভি, ফ্যানসহ নানা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি অচল হয়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও স্থায়ী সমাধানে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এটি মেঘনার তলদেশে স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবলের কারণে হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকার ব্যয়ে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল লাইন স্থাপন করা হয়েছিল। সেই মাধ্যমে ভোলা সদরের তুলাতুলি থেকে বিদ্যুৎ প্রদান করা হয়েছিল মদনপুর ইউনিয়ন ও কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চর গ্রামে। বিদ্যুৎ নেই থাকায় অকেজো বৈদ্যুতিক পাখা, ফ্রিজ, টেলিভিশন সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিপন্ন হয়েছে এবং তার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন
বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। বাচ্চারা গরমে সারাদিন কান্না করে। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছি না। হাতে পাখা নিয়ে সারাদিন বাতাস করতে হয়। কিন্তু আবারও বিদ্যুৎ এসেছে না।
মদনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মো. আরিফ বলেন, ইউনিয়নে বিদ্যুৎ আসায় খুশি হয়েছিলাম। এরপর বিদ্যুত মিটার সংযোগ দিই। ঘরে ফ্রিজ, লাইট, ফ্যানসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কিনেছিলাম। কিন্তু ছয় মাস পর বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। সে বিষয়ে জানলাম মেঘনার তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবলটি ছিঁড়ে গেছে।
৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, মদনপুর ইউনিয়নে বিদ্যুৎ আসার পর নদীতে মাছ ধরা কষ্ট হয়নি। কিন্তু মাঝে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জেলেদের হাতে টাকা ছিল না। অনেক জেলে এনজিও থেকে ঋণ ও ধার দিয়ে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি কিনেছিল। সেগুলো সব নষ্ট হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া
মদনপুরে প্রায় ১৫/২০ হাজার মানুষের বসবাস। বিদ্যুৎ আসার পর ব্যবসা ও বাণিজ্যে উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু চার বছর ধরে আমাদের বিদ্যুৎ নেই। এতে কৃষক, ব্যবসায়ী, জেলে ও গবাদি পশু পালনকারীদের ক্ষতি হয়েছে।
ব্যবসায়ী মো. জামাল উদ্দিন ও আব্দুল মালেক ব