চরশী হাবিরুন্নেসা হাফিজিয়া মাদরাসা: দুই দশক বন্ধ থাকার পর আবারো কাজ শুরু
দ দশক পর আব র প ঠদ – জামালপুর শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে চরশী পূর্বপাড়ায় (খলিফাপাড়া) অবস্থিত চরশী হাবিরুন্নেসা হাফিজিয়া মাদরাসা। এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা আব্দুল্লাহ ইবনে ফজল ওরফে ফজল মুন্সী। তিনি সারাদেশে জেএমবি গঠনের প্রাথমিক প্রবৃদ্ধির কারণে এই মাদরাসার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
আবারো পাঠদান শুরু: প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা শায়খ আব্দুর রহমান ও আতাউর রহমান সানি
২০২৫ সালের শুরুতে মাদরাসাটি পুনরায় প্রাতিষ্ঠানিক ও শিক্ষাকার্যক্রম চালানো শুরু করেন শায়খ আব্দুর রহমান ও আতাউর রহমান সানির আরেক ভাই মাওলানা ওবায়দুর রহমান। এই মাদরাসার কিছু অভিযোগ ছিল যে শায়খ আব্দুর রহমান এখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণের কাজ করতেন, কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে এখন সেই অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রবেশ পথে পুরাতন মসজিদ ও নতুন ভবন
মাদরাসাটি প্রায় এক একর জমির ওপর নির্মিত। প্রবেশ পথে দেখা যায় চরশী খলিফাপাড়া মাওলানা বাড়ি জামে মসজিদ। তিনটি নতুন আধাপাকা ভবন মাদরাসার পরিচালনায় ব্যবহৃত হচ্ছে। অফিস কক্ষ ছাড়া বাকি দুইটি ভবনে প্লে, নার্সারি, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান চলছে।
শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা বর্তমান অবস্থা
মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘মাদরাসাটি অনেক পুরোনো। ২০০০ সালে বেশ সরগরম ছিল। তবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী কেউই এই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন না। তারা বাহিরের লোকজন ছিলেন। এখন শিক্ষার্থী সবাই এই এলাকার। মাদরাসার দরজা সবসময় খোলা থাকে। যে কেউ যখন খুশি তখন প্রবেশ করতে পারে। সিচুয়েশন বেশি উল্টো।’
‘বর্তমানে আমরা ভালো আছি।’ – মো. জাকারিয়া হোসেন, প্রধান শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. রাকিব জানান, ‘প্লে-তে ৪২ জন, নার্সারিতে ৮ জন, প্রথম শ্রেণিতে ১৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১৩ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৯ জন ও চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে ৫ জন করে শিক্ষার্থী রয়েছে। মাসিক বেতন শ্রেণিভেদে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।’
কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থা
মাদরাসার পরিচালক মাওলানা ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আমি মাদরাসাটি আবার চালু করি। আমার স্ত্রী মোছা. সাবিনা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী দীর্ঘ ১৩ বছর কারাগারে ছিলেন। এখন তিনি মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করছেন। সেই মাদরাসার জমি নিয়ে কিছু বিরোধ চলছে। তাই অতীত ইতিহা�