Article

মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অনন্য নজির

মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অনন্য নজির ম নব ধ ক র স রক - বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বের প্রধান প্রেরণকারী দেশ হিসেবে তাদের

Desk Article
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অনন্য নজির

ম নব ধ ক র স রক – বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বের প্রধান প্রেরণকারী দেশ হিসেবে তাদের সামরিক বাহিনীর প্রতিষ্ঠা ও সফলতা গৌরবোজ্জ্বল। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন, সামান্য অবদান ছাড়া কখনও তাঁদের কাজ বাক্য অব্যাহত হয়নি।

২০১৮ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বলেছিলেন, ‘মানবাধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি গোলযোগপূর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সেনাদের ভূমিকা আমাকে মুগ্ধ করেছে।’ তিনি একই উক্তি ব্যক্ত করেছিলেন ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ সফরকালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতেও।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারত্ব ও দক্ষতার প্রশংসা করেন মহাসচিব। এছাড়াও শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ‘মজ্জা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদিও সিয়েরালিওন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তাদের দেশের প্রধান ভাষা বাংলা করতে পারেনি, কিন্তু দেশটির দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন একটি বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত।

১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট ৪৩টি দেশে জাতিসংঘের ৬৩টি শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৭ হাজার ১০৮ জন। বর্তমানে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, ডিআর কঙ্গো, সাউথ সুদান, লেবানন, আবেই (সুদান) ও ওয়েস্টার্ন সাহারায় কাজ করছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন সেনা সদস্য।

নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশসহ মোট শান্তিরক্ষীর সংখ্যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২১২ জন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের সামগ্রিক দিকনির্দেশনার কারণে তাঁরা সবাই অহর্নিশ দায়িত্ব পালন করছেন।

মানবাধিকার প্রতি যত্নশীলতার কারণে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সব মানুষের কাছে তাঁরা অনন্য এক দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত। তাঁরা ধর্ম, গোত্র, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদ

Leave a Comment