News

ইরাকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

og_1780237462_6a1c4496a68a8

ইরাকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

Bangladailypost.com – ইর ক সশস ত র গ ষ ইরানি বিপ্লবী বাহিনী উত্তর ইরাকে অবস্থানরত একটি সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অবস্থানে আক্রমণ ঘটিয়েছে। আইআরজিসির স্থলবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেছে, যা কুর্দি ক্ষেত্রে অবস্থানরত ইরানবিরোধী কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে লক্ষ্য করে সন্ধান করা হয়েছিল। এ ঘটনার স্থান ও সময় সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে সুস্পষ্ট তথ্য প্রকাশিত হয়নি, কিন্তু ইরান এ অভিযানটি নিজের রাষ্ট্রীয় দৃঢ়তা প্রদর্শনের একটি মূল্যবান পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

হামলার প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য উদ্দেশ্য

তেহরান আগে থেকে সতর্ক করে জানিয়েছিল যে যদি কোনও ধরনের তৎপরতা তাদের নিরাপত্তা বা ভৌগোলিক একত্রীকরণের বিরুদ্ধে চালিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ হামলা যে কোন নিরাপত্তা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ঘটেছে তা অনুমান করা হচ্ছে। কুর্দ গোষ্ঠী এবং ইরানের সম্পর্ক স্থায়ী ভাবে তীব্র হয়ে আসছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি চিন্তা করছে। হামলার পর কোনও মার্কিন বাহিনী বা আরব সশস্ত্র গোষ্ঠী কোন সামগ্রিক ক্রিয়া গ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে এখনও কোন তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

ইরান প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এই হামলাটি সাম্প্রতিক মাসে কুর্দি ক্ষেত্রে অবস্থানরত ইরানবিরোধী কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। আইআরজিসি স্থলবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেছে, যা ইরানের সামরিক অবস্থানকে সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে সম্ভবত চালানো হয়েছে। হামলার সময় ইরান বিপ্লবী বাহিনী এবং কুর্দ গোষ্ঠীগুলির মধ্যে যে সম্পর্ক বিপদের আশঙ্কা ছিল তা আবার তীব্রতর হয়েছে।

তেহরান হামলার পর কোনও বিপক্ষী গোষ্ঠী বা আঘাতের পরিমাণ প্রকাশ করেছে বা নির্দিষ্ট অঞ্চলে ঘটনা ঘটেছে কিনা সে বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়নি। কিন্তু ইরান এ হামলাটি তাদের রাষ্ট্রীয় নীতিগুলির মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েছে। এই হামলার সম্ভাব্য স্থায়িত্ব এবং স্থানীয় গোষ্ঠীগুলির প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। ইরান বিপ্লবী বাহিনী এই অভিযানের মাধ্যমে ইরানবিরোধী কুর্দ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ক্রিয়া চালিয়েছে।

হামলার সময় ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাস সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও চুক্তি প্রতিষ্ঠা করবে না। তার এ মন্তব্য আসে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আরও কঠোর শর্তে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর ঘোষণা করেছেন। এই ঘটনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে বিতর্ক চলছে তা বিশ্বাস করা হচ্ছে এ হামলার মাধ্যমে প্রকাশিত হতে পারে।

অন্যদিকে ইরানবিরোধী কুর্দ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ অঞ্চলে আক্রমণ চালানো থেকে পরিহার করেছে। তারা তাদের নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *