Article

দারভাঙ্গা খাল: জোয়ার-ভাটার নীরব স্বর্গ

দারভাঙ্গা খাল: জোয়ার-ভাটার নীরব স্বর্গ দ রভ ঙ গ খ ল - ট্রলারের ইঞ্জিনের শব্দ ধীরে ধীরে দূর হয়ে আসছিল। সামনে খালের বাঁক ঘুরতেই চোখের সামনে ভেসে উঠলো সবুজের

Desk Article
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1780389297_6a1e95b160bbb
Foto : John Jones - bangladailypost.com

দারভাঙ্গা খাল: জোয়ার-ভাটার নীরব স্বর্গ

Bangladailypost.com – দ রভ ঙ গ খ ল – ট্রলারের ইঞ্জিনের শব্দ ধীরে ধীরে দূর হয়ে আসছিল। সামনে খালের বাঁক ঘুরতেই চোখের সামনে ভেসে উঠলো সবুজের এক বিশাল দেওয়াল। দুই তীরজুড়ে কেওড়া-গেওয়া বন, মাঝখানে শান্ত জলরাশি। মনে হচ্ছিল, জল আর বন মিলে তৈরি করেছে এক গোপন রাজ্য।

হাতে ধরা ক্যামেরাটা নীরবে বলছিল—‘আমি প্রস্তুত, এই সৌন্দর্যকে বন্দি করতে।’ সেই মুহূর্তেই শুরু হলো দারভাঙ্গা খালের নতুন করে আবিষ্কার। বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে প্রকৃতি এখনো মানুষের চেয়ে বেশি কথা বলে। বাতাসে মিশে থাকে সমুদ্রের লবণাক্ত গন্ধ, নদীর বুকে বাজতে থাকে জোয়ার-ভাটার সুর। দিগন্তজোড়া সবুজ বিস্তার অনন্য সৌন্দর্য তৈরি করে।

প্রকৃতির অনিন্দ্য সৌন্দর্য

দারভাঙ্গা খাল পটুয়াখালী জেলার সবচেয়ে দক্ষিণের দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীর ৪ নম্বর চরমোন্তাজ ইউনিয়নে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ। বুড়াগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর জলধারা এবং বঙ্গোপসাগরের মোহনার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত। প্রতিদিন জোয়ার-ভাটার ছন্দে এর রূপ পরিবর্তিত হয়। পরিবর্তনশীল জলরেখা যেন দারভাঙ্গার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

খালের বাঁক ঘেঁষে চোখে পড়ে কচি ঘাসে ঢাকা চরভূমি। পানির কোলঘেঁষে জন্মানো গাছগুলো শুধু উপকূলকে রক্ষা করে না, স্থানীয় মানুষের জীবিকারও অনিচ্ছা পূরণ করে। দূর থেকে মনে হয়, পানির ধারে দাঁড়িয়ে আছে দীর্ঘ সবুজ প্রাচীর। কোথাও কেওড়া, কোথাও গেওয়া, কোথাও বা ঝোপঝাড়ে ঢাকা ম্যানগ্রোভ বন।

এই খালই আমাদের সংসার চালায়। মাছ-কাঁকড়া না থাকলে আমাদের জীবনও থেমে যেত।

বুঝতে পারা যায়, লোনা ও মিঠা পানির অনন্য মিশ্রণ তৈরি হয়েছে সমুদ্রের মোহনার কাছাকাছি। ফলে নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ এখানে পাওয়া যায়। প্রচুর কাঁকড়াও ধরা পড়ে যা স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় বাজার পূরণ করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

খালের পাড়ে চোখে পড়ে আরেকটি পরিচিত দৃশ্য। সবুজ ঘাসে চরছে গরু-মহিষ। কোথাও মা গরুর পাশে শুয়ে আছে বাছুর। চারপাশে সবুজ বনভূমি আর সামনে জলরাশি—দৃশ্যটি যেন বাংলার চিরায়ত গ্রামীণ জীবনের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

দারভাঙ্গা খাল শুধু মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করেনি, এটি হয়ে উঠেছে উ

Leave a Comment