স্মৃতির ভেতর হারানো প্রেমের খোঁজ খুঁজছি সম্মুখে বাঁধনে
স ম ত র ভ তর হারানো প্রেমের খোঁজ খুঁজছি সম্মুখে বাঁধনে। জীবনের যত দূরে আমরা যাই, কিছু মুহূর্ত আমাদের সাথে স্থায়ী হয়ে থাকে যেন অনন্য সুতোয় বেঁধে রাখে। যেমন শেকড়ের বাঁধনে বেঁচে থাকা সেই ধুলিমাখা পথে হাঁটার দিনগুলো, কাঁধে স্কুলব্যাগ ঝুলিয়ে স্বাধীনতার সঙ্গে চলা মুহূর্তগুলো, বা বিকেলের শেষ আলোয় মাঠের ঘাসে গড়িয়ে পড়া অদ্ভুত ছবিগুলো। সেগুলো কখনো আমাদের বিশ্বাস করতে হয় যে কোনো সময়ে আমরা সেই ছবিগুলো ফিরে পাবো সম্মুখে বাঁধনে।
শীতের সকাল আমাদের জীবনে অমৃতের স্পর্শ ছিল। কুয়াশায় মোড়া গ্রাম কালো হয়ে যাওয়ার পরও সাদা চাদরে ঢাকা হাওয়া ছিল অনন্য শান্তি। ঠাণ্ডা হাওয়া শুনলে হঠাৎ করে বুকে ছোট ছোট উত্তেজনা সৃষ্টি করত, কাঁচা রস খাওয়া সুখ আজও সেই অদ্ভুত মুহূর্তগুলো মনে আছে সম্মুখে বাঁধনে। কালবৈশাখীর আগমন নিয়ে হঠাৎ করে ঝড়ের তাণ্ডবে গাছতলায় দৌড়ে যাওয়া ছিল মনে হয় আরেক ধরনের মুক্তির অনুভূতি সম্মুখে বাঁধনে।
বৈশাখ এলে গ্রাম যেন অন্য রূপে আসে সম্মুখে বাঁধনে। চারপার ঝড়ের আওতায় পরিপূর্ণ কুড়ানো আমের দিনগুলো যেন এক অদ্ভুত রোমাঞ্চের জন্ম দেয় সম্মুখে বাঁধনে। ঝড় থামার আগে প্রতিযোগিতার সেই মুহূর্তগুলো আজও মনে আছে সম্মুখে বাঁধনে। এসব ছোট ছোট মুহূর্ত ছিল জীবনের বড় সম্পদ সম্মুখে বাঁধনে।
আজকের দ্রুতগতির জীবনে সেই ধীরস্থির মুহূর্তগুলো মনে হয় আরও বেশি মূল্যবান সম্মুখে বাঁধনে।
প্রথম প্রেমের চিঠি লেখার সেই কাঁপা কাঁপা অনুভূতি কি আমাদের বিশ্বাস করতে হয় যে কোনো বিকেলে আবার সেই সময়ে ফিরে আসবে সম্মুখে বাঁধনে? অগোচরে রাখা কাগজে যত্ন করে লেখা কয়েকটি শব্দ, দিন গোনা সেই প্রতীক্ষার মধ্যে ছিল এক অদ্ভুত মাধুর্য সম্মুখে বাঁধনে। ডাকপিয়নের সাইকেলের ঘণ্টার শব্দ শুনলে বুকের ভেতর ধুকপুক করে ওঠা ছিল অপ্রতিহত উত্তেজনা সম্মুখে বাঁধনে।
শৈশবের স্মৃতির মধ্যে প্রেম খুঁজতে হয় সম্মুখে বাঁধনে
গ্রামের মাঠ ছিল আমাদের শৈশবের সবচেয়ে বড় খেলার জায়গা সম্মুখে বাঁধনে। রাখাল বালকদের সঙ্গে গরু চরাতে যাওয়া, মাঠে বসে গল্প করা, বা গরুর পেছনে দৌড়ানো ছিল সম্মুখে বাঁধনে