মানুষের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সংগ্রহশালা এই জাদুঘর
ম ন ষ র শর র র – মানব দেহের অসীম গোপন রহস্য আছে, যেখানে কৌতূহল বৃহত্তর মূল্য হয়। শরীরের মূল কথা কেবল জীববিজ্ঞানের বিষয় নয়, বরং এটি এক সম্পূর্ণ ইতিহাস ও গবেষণার সম্পূর্ণ আবরণ। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অবস্থিত ম্যুটার মিউজিয়াম ছাড়া কোন বিষয়ে আগ্রহ হতে পারে না। এই স্থানটি কোনো সাধারণ জাদুঘরের মতো নয়, যেখানে প্রতিটি প্রদর্শন এক সম্পূর্ণ বিজ্ঞানের বিস্ময় হিসেবে প্রকাশিত হয়।
মেডিকেল মিউজিয়ামের উদ্দেশ্য
১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে স্থাপন করা হয়েছিল ম্যুটার মিউজিয়ামটি, যা আদিম শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। একজন আমেরিকান সার্জন ড. থমাস ডেন্ট ম্যুটার কর্তৃক এই মিউজিয়ামের অনুপ্রেরণা হয়েছিল। তিনি মনে করতেন, মানব শরীরের প্রতিটি বাস্তব উদাহরণ দিয়ে চিকিৎসা শিক্ষা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের জন্য এই সংগ্রহ ছিল মূলত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
১৮৬৩ সালে তাঁর মৃত্যুর পর থেকে এই সংগ্রহ আনুষ্ঠানিক মিউজিয়াম হিসেবে চালু হয়। সময়ের সাথে সাথে এখানে শরীর, হাড়, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং বিরল রোগে আক্রান্ত শরীরের নমুনা সংগ্রহ শুরু হয়। এই সংগ্রহ চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তবে এটি শুধু শিক্ষা করার জন্য নয়, বরং গবেষণাকে প্রভাবিত করার জন্যও নিয়োজিত।
গবেষণার সৃষ্টি করা অতীত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
২০১৪ সালে মিউজিয়ামের সংগ্রহশালা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হয়। প্রথম বারের মতো গবেষকরা কলেরা রোগে মারা গিয়েছিল ব্যক্তির নমুনা থেকে কার্যকর ডিএনএ বের করতে সক্ষম হন। নমুনাটি ছিল এমন একজন মানুষের যিনি ১৮৪৯ সালে ফিলাডেলফিয়ায় মারা গিয়েছিলেন। সেই ঘটনার ১৬৫ বছর পর এই আবিষ্কার ঘটে।
রবার্ট হিকস জানান, এই গবেষণা মানব দেহের কাছে বিশেষ বৈচিত্র্যের প্রতিটি প্রমাণ হিসেবে কাজ করছিল।
আরও একটি বিশেষ ঘটনা হলো বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলীয় সেনাবাহিনী মিউজিয়াম থেকে একজন সৈনিকের দেহাবশেষ পুনরায় সমাহিত করার জন্য অনুরোধ করে। মিউজিয়াম তাদের প্রদর্শনী দিয়ে সেই অনুরোধ পূরণ করে। পরবর্তীতে ওই সংগ্রহের সব অনলাইন কনটেন্ট সরিয়ে নেয়, এটি আজ আর স্থানীয় পরিদর্শনার্থীদের কাছে উপলব্ধ নেই।
বিস্ময় প্রকাশক মানব শরীরের বিশেষ গুণ
মিউজিয়ামে বিকৃত হাড়ের কাঠামো, বিরল জন্মগত রোগে আক্রান্ত শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং মেডিকেল কেস সংগ্রহ করা হয়। এগুলো সাধারণ জ�