Article

ব্রণের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে মানসিক চাপ

ব্রণের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে মানসিক চাপ ব রণ র প ছন ল ক - ব্রেকআপের পর মুখে ব্রণ বেড়ে ওঠা বা নতুন পরিবেশে ত্বকের সমস্যা গুরুতর হওয়া-এগুলো সাধারণত মানসিক

Desk Article
Published May 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ব্রণের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে মানসিক চাপ

ব রণ র প ছন ল ক – ব্রেকআপের পর মুখে ব্রণ বেড়ে ওঠা বা নতুন পরিবেশে ত্বকের সমস্যা গুরুতর হওয়া-এগুলো সাধারণত মানসিক চাপের ফল হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য ও ত্বকের অবস্থা একে অপরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত। এ বিষয়ে নতুন গবেষণা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

লন্ডনের সাইকোডার্মাটোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. আলিয়া আহমেদ বলেন, ত্বকের সমস্যা অনেক সময় মানুষের মোট স্বাস্থ্যের প্রতি প্রতিফলন দেয়। তাই রোগীর জ্বালা, পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিদিনের খাদ্য অভ্যাসের পরিবর্তনও বিবেচনার মধ্যে রয়েছে।

ত্বকের প্রতিরক্ষামূলক স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরাগরেণু, সুগন্ধি বা অন্যান্য অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান সহজেই ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে চুলকানি, জ্বালা বা অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, মানসিক চাপ ব্রণের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ স্ট্রেসের সময় নিঃসৃত রাসায়নিক পদার্থ ত্বকের তৈলগ্রন্থিকে বেশি সিবাম উৎপাদনে উৎসাহিত করে। অতিরিক্ত সিবাম লোমকূপ বন্ধ করে ব্রণের সৃষ্টি বা প্রকোপ বৃদ্ধি করতে পারে।

অন্যদিকে, মানসিক চাপ শরীরের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পেপটাইডের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা সাধারণত জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। ফলে দাদ, জ্বরঠোসাসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশনের পরামর্শ দেন। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব অভ্যাস কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

পাশাপাশি ত্বকের সঠিক যত্ন, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের মতে, ত্বকের সুস্থতা শুধু প্রসাধনী বা বাহ্যিক পরিচর্যার ওপর নির্ভর করে না; বরং মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন ও শারীরিক সুস্থতার সামগ্রিক ভারসাম্যের সঙ্গেও এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত

Leave a Comment