সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো কৃষকের
স চ দ ত গ য় ব – গাংনী উপজেলার মড়কা বাজার সংলগ্ন মাঠে সেচ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছে শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক কৃষক। ঘটনার সময় রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে। বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে সেচ দেওয়া সাধারণত কৃষি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গৃহীত হয়ে থাকে, কিন্তু এই ঘটনার মতো অপরাধে কৃষকদের সামনে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারান কৃষকদের সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার জন্য অপরিহার্য।
সেচ প্রক্রিয়ার গুরুতর পরিস্থিতি
শহিদুল ইসলাম বানিয়াপুকুর গ্রামের শাহাদাত মন্ডলের পুত্র ছিলেন। তিনি মড়কা বাজারে নিজের ধানের মিল রাখতেন এবং আশপাশের মাঠে চাষ করতেন। রোববার সকালে তিনি সেচ দিতে যাওয়ার সময় বৈদ্যুতিক মোটরটি সংস্পর্শে এসে গুরুতর আহত হন। আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করি এবং তার অবস্থা খুব গুরুতর ছিল।
বিদ্যুতের সংস্পর্শে প্রাণ হারান ঘটনা হল এমন একটি সামান্য ত্রুটি কিংবা অসাবধানতার ফলে ঘটে যাওয়া প্রাণহারণকারী ঘটনা। সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারান কৃষকদের জন্য এটি একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হতে পারে। বৈদ্যুতিক মোটরের সংস্পর্শে প্রাণ হারান ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যুতের স্থায়ী চার্জ বা শর্ট সার্কিটের কারণ খুঁজছেন। আশপাশের মাঠে কৃষকদের সামনে সেচ দেওয়ার প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারান ঘটে যায় কারণ যন্ত্রপাতির মূল্য কম থাকায় তাদের সংরক্ষণের জন্য যথাযথ প্রতিষ্ঠা হয় না।
স্থানীয় বাসিন্দার মতামত
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস জানান, কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো কৃষকের ঘটনা সাধারণত অস্পষ্ট কারণে ঘটে। কৃষিক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক পরিস্রাবণের সময় বিদ্যুৎ সম্পর্কিত বিপর্যয়ের সম্ভাবনা খুব বেশি হতে পারে। আসিফ ইকবাল/এফএ/জেআইএম রিপোর্ট করেছেন যে এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক হয়েছেন এবং সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো কৃষকের মতো ঘটনা পুনরায় প্রতিহোতা করার জন্য স্থানীয় পরিচালনার দরকার হয়।
আরও সতর্ক হতে হবে এবং �