পরিবেশ রক্ষায় চাই গণজাগরণ
পর ব শ রক ষ য় চ – ২০২৬ সালের পরিবেশ রক্ষা দিবসে প্রধান প্রতিপাদ্য হলো ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ আগামীর নিরাপত্তা’। এ দিন একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে নিতে বিশ্বব্যাপী মানুষের মন আকর্ষণ করে আন্তর্জাতিক জনসচেতনা বৃদ্ধি করা হয়। বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার মূল সমস্যা হলো বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে জনগণের সচেতনতা কমে আসা। পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত ভাবে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন, যেহেতু আমাদের জীবন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পরিবেশের প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন বেড়েই চলছে।
পরিবেশ বিষিয় হয়ে গেছে
বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার দরকার আছে কারণ অপরিকল্পিত নগরায়ন, পলিথিন ব্যবহার ও শিল্প বিস্তারের কারণে দেশটি পরিবেশ বিষিয় হয়ে গেছে। সরকার সবুজায়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে গাছ লাগানো এবং জল বিদ্যুত সাশ্রয়ের অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল জানিয়েছে যে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিপর্যয়ের সামনে আমাদের পরিবেশ সংকট সৃষ্টি করছে।
১৯৯১ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে দেশে সবুজ আবহাওয়া বিষয়ে মার্কিন ডলার হিসাবে ৫.৯ বিলিয়ন অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। যেহেতু বিপর্যয় ঘটার জন্য দুর্যোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়ায় মানুষের ব্যবহার পরিবর্তন করার প্রয়োজন, কারণ একটি বিষয় নিশ্চিত করে দেশের মানুষ কম পরিবেশ রক্ষা করতে পারে।
পরিবেশ রক্ষার প্রক্রিয়া গড়ে তোলার জন্য সমাধান
বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে গণজাগরণ গড়ে তোলা একটি মূল গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। গাছ লাগানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্মিলিত অভিযানের মাধ্যমে আমরা আসলে পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা করতে পারি। আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল বলেছে যে বাংলাদেশে বার্ষিক স্তরে জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্দশা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে চলছে।
পরিবেশ রক্ষার প্রক্রিয়ায় প্রতিটি মানুষের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু সম্পদের টেকসই ব্যবহার সম্ভব নয় বর্তমান পরিবেশ বিষিয় হয়ে গেছে। কীটনাশক এবং রাসায়নিক সারের অত্যাধিক ব্যবহার সমস্যার জন্য বাংলাদেশের কৃষি ও অবকাঠামো প্রতিদিন বিপর্যয়ে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণ সম্পর্কে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখা যায় যে গত ত্রিশ বছরে দেশে পরিবেশ বিষিয় হয়ে গেছে। পানি ও বিদ্যুতের সাশ্রয় ঘটছে কারণ পরিবেশ রক্ষার মূল উদ্দেশ্য সাধন করতে পারছে না মানুষ। পরিবেশ সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
সরকার �