পদ্মা ব্যারাজ খুলে দিতে পারে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত
পদ ম ব য র জ খ – বাংলাদেশের সভ্যতা জন্ম নেয় নদীর সাথে জড়ানো হয়েছে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা এবং অন্যান্য নদীগুলো শুধু জল প্রবাহ বৃদ্ধি করে না, বরং দেশের কৃষি অর্থনৈতিক ও সংস্কৃতিগত বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আজ দেশটি নদী হারানোর বেদনায় কাতর হয়ে আছে। অনেক স্থানে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, আর অনেক জায়গায় নাব্যতা কমছে। কৃষকদের মাঠে পানি নেই, জেলেদের জালে মাছ নেই, এবং নদীপাড়ে জনপদ অবিস্মরণীয় উন্নয়নের প্রতিকার করছে না। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে বলে মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন।
নদীগুলি কীভাবে মৃত হয়ে পড়ছে
ষাটের দশক থেকে পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে গেছে। ফারাক্কা বাঁধ চালু হওয়ার পর থেকে এ সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অনেক মানুষ বছরের পর বছর নদীর ধীর ধীরে মৃতপ্রায় হয়ে উঠার দৃশ্য দেখেছে। পানির সংকট কারণে খরা, অনাবৃষ্টি এবং লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, এবং নৌপথ ক্ষীণ হয়ে আসছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়েছে। অসংখ্য দেশীয় মাছ বিলুপ্তপ্রায় হয়ে উঠছে, জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে।
যদি পরিকল্পিতভাবে সেচ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তৃত জমিতে সারা বছর চাষাবাদ সম্ভব হবে। ধান, পাট, গম, ভুট্টা ও শাকসবজি সব ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়বে।
অর্থনৈতিক ফলাফল
পদ্মা ব্যারাজ যেহেতু কৃষি অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাতে পারে, সেই কারণে এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য স্বপ্নপূরণের বার্তা। কৃষকদের মুখে হাসি ফিরলে গ্রাম বাঁচবে, গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। নদীর নাব্য ফিরলে অভ্যন্তরীণ নৌপথ আবারও সক্রিয় হবে। পরিবহন ব