ভাইরাল ধারণার সৃষ্টি ও বিস্তার
ভ ইর ল হওয় র ম নস – ‘ভাইরাল’ শব্দটি এখন বিশ্বজুড়ে আপনার চেনা শব্দ হয়েছে। এটি নতুন কিছু নয় বরং গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যধিক প্রাধান্য লাভ করেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে ছবি, ভিডিও বা অডিও এমন দ্রুত বিস্তার পেয়েছে যে এটি অনলাইন প্রচারণার সঙ্গে তুলনা হয়ে যায়। এমন সময়ে একটি সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যেন মানবদেহে ভাইরাসের প্রসার হয়।
ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল কিন্তু সে সময়ে শব্দটি এমন মানসিকতা সৃষ্টি করেনি যে আধুনিক সময়ে দেখা যায়। প্রাথমিক ব্যবহার করা হয়েছিল পৃথিবীর অনেক গুপ্ত তথ্য বা ফাইল ফাঁস করে ভাইরাল হওয়ার সূত্রে অনেক মানুষ এমন ধারণা গ্রহণ করেছেন যে বিষয়টি সমাজে মার্কেটিং সম্পর্কে সক্ষম।
একটি নেতিবাচক উদাহরণ
যেমন ভাইরাল কনটেন্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে; তেমনি সমাজে ভাইরাল হওয়ার ধারণাটি নেতিবাচক রূপ নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক যিনি বই পড়ার পরিবর্তে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছেন সেই ক্ষেত্রে ভাইরাল হওয়ার ধারণাটি সমাজের মনে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে।
‘হ্যাভ দ্য আইডিয়া বিহাইন্ড ইয়োর অনলাইন এক্সপেরিয়েন্স গো ভাইরাল।’ এ উক্তি সেথ গোডিন প্রথম করেছিলেন ২০০০ সালের ৩১ জুলাই ফাস্ট কোম্পানি ডটকমে একটি প্রবন্ধে।
গত দুদিন ধরে ‘রাগ করলা’ শিরোনামে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে সুন্দর শব্দ ব্যবহার করে বেশ কিছু ব্যক্তি ভাইরাল হওয়ার ধারণাটি সমাজে আসক্তি সৃষ্টি করেছেন। যে কোনো উদ্ভূত সংলাপ অথবা ধরনের নিবেদন আর বিষয়টি প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে যেন ভাইরাল হওয়া সমাজে আস্থা সৃষ্টি করে।
আর কোনো কাজ যেমন নেতিবাচক ধারণার সূত্রে সমাজে প্রভাব ফেলেছে সেই কারণে ভাইরাল হওয়ার ধারণাটি সম্পূর্ণ করে কাজ করেছে। আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক যেন ভাইরাল হওয়ার সূত্রে সমাজ আরও বিস্তার পেয়ে যায়।
ভাইরাল হওয়ার ধারণাটি প্রকাশ করার সময়ে অনেক সময় সমাজ তথ্য বা তার দ্বারা আমাদের জনপ্রিয়তা ও ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। অনেক মানুষ আজ কুসংস্কার বা