Article

দিনাজপুরে জমে উঠেছে ‘খাইট্টা’ বিক্রি

দিনাজপুরে বিক্রি খাইট্টা বৃদ্ধি পেয়েছে দ ন জপ র জম উঠ ছ - ঈদের প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সাথে সাথে দিনাজপুরে গাছের গুঁড়ি বা খাইট্টা বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। পশু

Desk Article
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দিনাজপুরে বিক্রি খাইট্টা বৃদ্ধি পেয়েছে

দ ন জপ র জম উঠ ছ – ঈদের প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সাথে সাথে দিনাজপুরে গাছের গুঁড়ি বা খাইট্টা বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। পশু কেনা এবং চাকু ছুরিতে শান দেওয়া শেষে পশুর মাংস স্বাচ্ছন্দ্যে কাটার জন্য এই বিক্রি চাহিদা বেড়েছে। বর্তমানে খাইট্টা প্রতি কেজি ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গতবারের তুলনায় ১০-১৫ টাকা কম।

প্রায় সব বিক্রেতারা ছাত্রদের নামে পরিচিত। স্কুল ও কলেজ ছুটির সুযোগে তারা পাড়ায় মহল্লায় বাজারে আয় করার জন্য খাইট্টা বিক্রি করছেন। এই বিক্রি প্রক্রিয়ায় তাদের ক্রমাগত অর্থ সংগ্রহ হচ্ছে।

খাইট্টা তৈরি করে থাকে সাধারণত তেঁতুল ও বেল গাছের কাঠ। এটি এলাকাভেদে বিভিন্ন নামে পরিচিত হয়, যেমন ‘কাটলি’, ‘খুটা’, ‘ডুম’ ইত্যাদি। কোরবানির আগে এই সামগ্রী বিক্রির চাহিদা বেড়েছে।

দিনাজপুর শহরের শেখ ফরিদ গোরস্তান মোড়ে বিক্রি হচ্ছে খাইট্টা। সাইফুল ইসলাম বলেন, কোরবানি করতে যাওয়া মানুষ এই পণ্য কিনে থাকেন। তাই প্রস্তুতি প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঠ থেকে তৈরি খাইট্টার দাম এলাকাভেদে ভিন্ন। কিন্তু এই বছর তেঁতুল ও বেল গাছের খাইট্টাই বেশি চাহিদা পেয়েছে।

বিক্রেতারা কে হলেন

সো মিলসহ ব্যবসায়ীরা সর্বনিম্ন পাঁচ থেকে পঁয়ত্রিশ কেজি পর্যন্ত খাইট্টা প্রস্তুত করছেন। আগে থেকে গাছ কিনে রাখা হয় এবং পশু কেনার আগে খাইট্টা তৈরি করা হয়। আমিনুল ইসলাম বলেন, অনেকে গত বছর থেকে প্রস্তুত করে থাকেন।

ক্রেতাদের মতামত

“গত বছর খাইট্টা কেজি প্রতি ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। এবার দর ১০-১৫ টাকা কমে গেছে। কিন্তু পরিষ্কার করে তৈরি খাইট্টা কিনছি,” আকার ও আকৃতি অনুযায়ী প্রতিটি খাইট্টার ওজন ৫-৪০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। আতাউর রহমান বলেন, ছুটির সুযোগে খাইট্টা বিক্রি করে ঈদের খরচ কভার করছি।

“দুই বছর আগে তেঁতুল কাঠের খাইট্টা কিনেছিলাম। কিন্তু যত্নের অভাবে নষ্ট হয়েছিল। এবার ১২ কেজি ওজনের খাইট্টা কিনলাম,” শহরের শেখ ফরিদ গোরস্তান মোড়ে আনোয়ার হোসন বলেন।

এবার কোরবানি প্রক্রিয়ায় অপেক্ষার পালা হয়েছে। গাছ কাটা ও খাইট্টা তৈরির জন্য বিভিন্ন মোড়ে ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত আছেন।

Leave a Comment