News

দুইদিনে ১৩০০ টন বর্জ্য অপসারণ সিসিকের

দুইদিনে ১৩০০ টন বর্জ্য অপসারণ সিসিকের ঈদ উপলক্ষে নগরী বর্জ্যমুক্ত করার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে দ ইদ ন ১৩০০ টন বর জ - ঈদ ও ঈদের পরদিন মিলিয়ে কোরবানি দেয়ার পর আট

Desk News
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দুইদিনে ১৩০০ টন বর্জ্য অপসারণ সিসিকের

ঈদ উপলক্ষে নগরী বর্জ্যমুক্ত করার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে

দ ইদ ন ১৩০০ টন বর জ – ঈদ ও ঈদের পরদিন মিলিয়ে কোরবানি দেয়ার পর আট ঘন্টার মধ্যে সিলেট নগরীর সম্পূর্ণ ওয়ার্ড বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে। এ প্রতিশ্রুতি পূরণ করার সাথে সাথে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) দুই দিনে কমপক্ষে ১৩০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করেছে। পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মীদের নিরলস কাজের ফলে নগরীর বিভিন্ন স্থানে সামান্য জমা পড়া বর্জ্য এখন অপসারণ করা হয়েছে। সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিয়ে ও বর্জ্য ব্যাগ তুলে দিয়ে নগরবাসী বিশেষ প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য সহযোগিতা করেছে।

সিসিকের পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মীরা দুই দিন ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপসারণ কাজ চালিয়েছেন। বিশেষ করে কোরবানি দেয়ার স্থানে সংগৃহিত বর্জ্য কাজের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। তারা ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিমাণে পানির বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেছেন এবং বিশেষ হটলাইন নম্বর পরিচালনা করেছেন যাতে নাগরিকদের তাৎক্ষণিক যোগাযোগ সম্ভব হয়। এ কাজে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সামিল হয়েছেন।

ঈদ উপলক্ষে নগরবাসীর দায়িত্বশীলতা প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিয়ে এবং বর্জ্য ব্যাগ তুলে দিয়ে নগরবাসী কাজের সফলতা সাধন করেছেন। এটি নগরী বর্জ্যমুক্ত করার দিকে এগিয়েছে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ কাজ অনুষ্ঠিত করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসারিত হয়েছে

এ বিষয়ে সিসিকে নিজস্ব উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন হাটগুলো থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটে প্রায় ৩০ হাজার পরিবেশবান্ধব পলিব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধে বিনামূল্যে পাঁচ টন ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক বিতরণ করা হয়েছে। এই কাজে বিশেষ করে কোরবানি সম্পর্কে বর্জ্য অপসারণের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।

বর্জ্য অপসারণ কাজে সিসিকের নিজস্ব সংস্থা ও অন্যান্য সংস্থাগুলোর সহযোগিতা ছিল। নাগরিকদের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে দুই দিনে প্রায় ১৩০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিকের কর্মীদের নিরলস ভাবে অপসারণ করা হয়েছে। নগরীর সুস্থ বাতাস ও স্বাচ্ছন্য পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এ কাজ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

নগরবাসীর ভূমিকা সিসিকের লক্ষ্য পূরণে নির্ভরশীল। কোরবানি দেয়

Leave a Comment