ময়মনসিংহে কুকুর আতঙ্কে ফাঁকা দুই প্রাথমিক বিদ্যালয়
ময়মনস হ ক ক র আতঙ ক – ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক চরম ভীতি তৈরি করেছে। গত দুইদিনে কুকুরের কামড়ে নারী এবং শিশুসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার কারণে সোমবার (১৮ মে) উপজেলার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ে।
অভিভাবকদের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে বাড়ি থেকে শিশুদের নিয়ে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছেন। এ বিষয়ে ভাটি মেদুয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম জানান, কুকুরের উপদ্রব বাড়ছে বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার স্কুলে প্রায় ৫০ শতাংশ ছাত্র আসেনি
গত দুইদিনে কুকুরের কামড়ে আহতদের মধ্যে এক শিক্ষার্থীসহ আটজন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের সবাই কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানান, গত তিন দিনে মেদুয়ারী এলাকায় শতাধিক রোগী কুকুরের কামড়ানোর খবর পাওয়া গেছে।
তিনি আরো বলেন, গত এক সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুর কামড়ানো রোগীদের জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে। মেদুয়ারী ইউনিয়নের নিঝুরী, মেদুয়ারী ও কুচিলাতলা গ্রামে ১৬ মে ও ১৭ মে কুকুর দলবেঁধে মানুষের ওপর হামলা চালায়।
“রোববার বেলা ১১টার দিকে ৪-৫টি কুকুর আমার বাড়ির পাশে সিয়াম নামের এক শিশুকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে আহত করে।” বলেন মেদুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জিলা খাতুন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৭ মে সকালে আফরিন আক্তার (৭) বাড়ির টয়লেট থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি কুকুর তাকে এলোপাতাড়িভাবে কামড়ে দেয়। একই সময়ে তার দাদা মনু মিয়া (৬৮)ও কুকুরের আক্রমণে আহত হন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জমান জানান, কুকুর আতঙ্কের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা থাকার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কিছু জানায়নি।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, বিষয়টি কেউ আনুষ্ঠানিক