ফ্রান্সের সর্বশেষ মহান পরাজয় বিশ্বকাপে হারে বিপক্ষে হয়েছিল
৯৯ বছর ও এমন লজ জ য় – বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে পরাজিত হয়ে শুধুমাত্র ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে বিদায় নিল। এই ম্যাচটি তাদের ফুটবল ইতিহাসে একটি বিব্রতকর অধ্যায় হিসেবে লেখা হয়েছে। প্রায় এক শতাব্দী পর ফ্রান্সের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল হজম করা হয়েছিল।
মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তৃতীয় মিনিটে ডেকলান রাইসের গোলে ইংল্যান্ড প্রথম গোল করে। এরপর এগারো মিনিটে কর্নার থেকে এজরি কনসা ব্যবধান দ্বিগুণ করে। প্রথমার্ধে চতুর্বিংশতিমিনিটে বুকায়ো সাকার দুইটি গোলে ইংল্যান্ড ছয় গোল করে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯২৭ সালের পর ফ্রান্সের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল হজম করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালে তাদের ইতিহাসে প্রথম পর্যন্ত শুধু একটি ম্যাচে ছয় গোল হজম করেছিল এবং সেদিন হাঙ্গেরি শেষ পর্যন্ত ১৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
সেদিন হাঙ্গেরি এক বৃহত্তম পরাজয়ের দুর্দান্ত ছিল ফ্রান্সের ক্ষেত্রে। তাদের সবচেয়ে বড় দুটি হার আরও পুরোনো- ১৯০৮ অলিম্পিকে ডেনমার্কের কাছে ১৭-১ এবং ১৯০৬ সালে ইংল্যান্ডের অপেশাদার দলের কাছে ১৫-০। এই পরাজয় এখনো ফ্রান্সের ইতিহাসের তৃতীয় বৃহত্তম হার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে চার গোল হজমের আগে ফ্রান্সের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি এখনো তাদের ইতিহাসে বিশ্বকাপ ও ইউরোর প্রথম দুর্দান্ত প্রথমার্ধে প্রায় ৯৯ বছর হার হয়েছিল। সেদিন ইংল্যান্ড সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সের ক্ষেত্রে তিন গোল হজম করার ঘটনাও প্রায় ৬৯ বছর পর ঘটেছে। সর্বশেষ ঘটনা ছিল ১৯৫৭ সালের ২৭ নভেম্বর ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ফ্রান্স ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। টমি টেইলর এবং ববি রবসনের গোলে �