সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারে হাঁটু সমান পানি, টেকসই ড্রেন নির্মাণের দাবি
তেমুহনী বাজারে মানববন্ধন আয়োজন
স ম ন য ব ষ ট – সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারে হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ার কারণে তেমুহনী বাজারে রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বে এই আন্দোলন চালু হয়, যার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য প্রতিকার প্রস্তাব জোগানো হয়। বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে এ সংকট ঘটেছে কারণ তেমুহনী বাজারে পানি জমে থাকার কারণে চরম সুবিধা সাপেক্ষে চলাচল সম্ভব হয়নি। আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভিন্ন মহল্লা বাসিন্দারা বিক্রয় ও প্রবাসীদের মধ্যে আলোচনা করেন।
মহাসড়ক নির্মাণ এবং ড্রেন প্রকল্পের অবহেলা
ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের সময় ড্রেনগুলি ভরাট হয়ে যায়। সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত তেমুহনী বাজারে কোনো নতুন ড্রেন ব্যবস্থা চালু হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারে হাঁটু সমান পানি জমে যায়, যার ফলে বাণিজ্য ও সামাজিক প্রবাহ বাধিত হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিনিময় ব্যবস্থা না থাকার কারণে এখানে বিপর্যয়ের সম্ভাবনা বাড়ছে।
আর্থিক ও স্বাস্থ্য বিপর্যয় সৃষ্টি
জলজটের কারণে ক্রেতা সমাগম কমে গেছে, ব্যবসায়ীদের দুর্দশা দেখা দিয়েছে। আশপাশে অনেক স্কুল ও মাদরাসার কোমলমতি শিশুদের নোংরা পানিতে যাতায়াত করতে হয়। এটি স্বাস্থ্যের গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। মহাসড়ক নির্মাণের সময় ড্রেন ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। তেমুহনী বাজারে সামান্য বৃষ্টিতে পানির পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে যার ফলে বাণিজ্য বিপন্ন হয়েছে।
আর্থিক বিপর্যয়ের পরিচয়
তেমুহনী বাজারে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। বিক্রয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সামাজিক গতিবিধি আটকে পড়েছে। এ জন্য অর্থ নিয়োগ ও টেকসই ড্রেন নির্মাণের প্রয়োজন। তেমুহনী বাজারে বাণিজ্যের সংকট অত্যন্ত গুরুতর হয়েছে কারণ সামান্য বৃষ্টিতে পানি সারাদিন বাজারে স্থায়ী করে থাকে। এ কারণে ব্যবসায়ীদের মুনাফা কমে গেছে এবং প্রবাসীদের সামাজিক প্রবাহও বাধিত হয়েছে।
প্রতিকারের দাবি বৃদ্ধি পেয়েছে
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তেমুহনী বাজারে পানি দূর করার কার্যকর ব্যবস্থা ও টেকসই ড্রেন নির্মাণ অবিলম্বে করা না হলে ভবিষ্যে আরও গুরুতর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আন্দোলনে বিভিন্ন দল যুক্ত হয়েছে এবং অনেকে সরকার ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ জানাচ্ছেন।
তেমুহনী এলাকাটি অত্যন্ত জনগুরুত্�