বিশ্বকাপে কমেছে সময় নষ্ট, বেড়েছে দূরপাল্লার গোল
ব শ বক প কম ছ সময – ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত খেলার ধরন এবং নতুন নিয়মগুলোর প্রভাব নিয়ে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এই গবেষণার প্রধান কোচ ছিলেন আর্সেন ওয়েঙ্গার, যিনি আর্সেনালের পূর্ব কোচ ছিলেন। গবেষণার মতে, খেলার সময় নষ্টের হার অনেকটা কমেছে, অন্যদিকে দূর থেকে শট নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
গোল কিক ও থ্রো-ইন নিয়মের পরিবর্তন
ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গোলকিপার বা খেলোয়াড়রা গোল কিক কিংবা থ্রো-ইন নিতে বেশি সময় নিলে রেফারি শেষ পাঁচ সেকেন্ড হাতে সংকেত দিয়ে সতর্ক করেন। নির্ধারিত সময় পার হলে প্রতিপক্ষকে কর্নার বা থ্রো-ইন দেওয়া হয়। গত বিশ্বকাপে গোল কিক নেওয়ার সময় প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৫ শতাংশ গোল কিক নেওয়ার জন্য সাত সেকেন্ডের বেশি সময় নেওয়া হত। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২ শতাংশে।
চিকিৎসা নিয়মের পরিবর্তন
খেলোয়াড়রা মাঠে চিকিৎসা নিলে অন্তত এক মিনিটের আগে মাঠে ফিরে আসতে পারেন না। এটি নির্বাচন বা সুযোগ সৃষ্টি করার সময় কমিয়েছে। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচে গড়ে ২.৩ বার চিকিৎসাকর্মীদের মাঠে নামতে হয়েছিল। এবারের বিশ্বকাপে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ১.৬-এ।
“এতে শুধু খেলার কার্যকর সময়ই বাড়েনি, বরং কোনো খেলোয়াড় ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে গিয়ে সময় নষ্ট করার ঘটনাও কমেছে।”
ডিফেন্সিভ ব্লক ও শট প্রবণতা
গবেষণায় আরও দেখা গেছে অনেক দল নিচু ডিফেন্সিভ ব্লকে রক্ষণ সাজায়। এটি প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙা কঠিন করেছে এবং দূর থেকে শটের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ বিশ্বকাপে গোলের মাত্র ৮ শতাংশ ছিল পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে। এবারের বিশ্বকাপে সেই হার দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ শতাংশে।
“অনেক দল খুব নিচু ডিফেন্সিভ ব্লকে রক্ষণ সাজায়, তাই বক্সের ভেতরে ঢুকে স�