সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ অভিষেকে সাড়া জাগানো ফুটবলার ভোজিনহাই!
বিশ্বকাপের আসর: তরুণদের গৌরব অপরিহার্য
সবচ য় ব শ বয়স ব শ – বিশ্বকাপ কে কাদের জন্য জন্ম দিয়েছে? এটা কি শুধুই বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণী আসর? বিশ্বকাপের মাঠ কেবল প্রতিষ্ঠিত তারকাদের মহানায়ক হওয়ার ক্ষেত্র নয়। এটি আনকোরা নবীন প্রতিভার স্ফুরণের শ্রেষ্ঠ ক্ষেত্র বলে পরিচিত। তার মধ্যে সবচেয়ে অসাধারণ কিশোর ফুটবলার হলেন ব্রাজিলের পেলে।
১৯৫৮ সালে বিশ্বকাপে নামিয়ে পেলে আলোড়ন তোলেন। তার প্রথম আসরের সময়ে নামি-দামি তারকাদের ক্ষেত্রে তিনি সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে খেলেন। তার জাদুকরি নৈপুণ্যে ও গোল করার দক্ষতায় চোখ ছানাবড়া হয়ে ওঠে বড় বড় ফুটবল বোদ্ধাদের। সেই আসরে পেলে সাতটি গোল করেন। এর মধ্যে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকও করেন।
আসলাম, দেখলাম, জয় করলাম
সেই প্রথম ফুটবল বিশ্ব দেখলো, চিনলো, জানলো—বিশ্ব ফুটবলে এক নতুন তারার জন্ম হয়েছে, নাম পেলে। তার পর অনেক আসরে নতুন তারকার জন্ম হয়েছে। যেমন ইতালির পাওলো রোসি। তিনি জেলখানায় ছিলেন। সেখান থেকে মুক্তি পাওয়া রোসিকে নিজে যেচে দলে ভেড়ান করেন তখনকার ইতালিয়ান কোচ এঞ্জো বিয়ারজোট। সে আসরে তার হ্যাটট্রিক করেন বিশ্বকাপের সেরা ষোলোর লড়াইয়ে। রোসি নিজের মুক্তির প্রথম ম্যাচে ইতালির জয়ে আসরের অসাধারণ জাদুকরি প্রতিভা দেখা যায়।
১৯৮২ সালে রোসি সম্পর্কে আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন। ডেনমার্কের বিপক্ষে সেরা ষোলোর লড়াইয়ে এক ম্যাচে ৪ গোল করেন। এটি পরপর চার আসরে কেউ অমন কৃতিত্ব দেখাতে পারেনি। সেই বিশ্বকাপে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে।
তারপর স্পেনের এমিলিও বুত্রাগেনো নাম উল্লেখ করা যায়। তিনি ২২ বছরে স্পেনের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে নেমেই আলোড়ন তোলেন। বিশ্বকাপের আগে তার প্রতিভা জানান দেন। সেই আসরে তিনি এক অন্য রেকর্ড গড়ে নেন।
বয়স্ক তারার আবির্ভাব: সাধারণত নিষ্ফল হয়ে থাকে না
বিশ্বকাপে নিষ্ফল হয়ে থাকে না বয়স্ক তারাও। এ তালিকায় সবার আগে আসবে ক্যামেরুনের রজার মিলার। তার বিশ্বকাপ অভিষেক ১৯৮২ সালে হয়েছিল। কিন্তু সেবারের চারটি গোলে তিনি হৈচৈ ফেলে দেন। এক বিশ্বকাপের মাঠে তার বেশির ভাগ গোলই বদলি খেলোয়াড় হিসেবে খেলতে নেমে।
আর এমিলিও বুত্রাগেনো সেবারের হট ফেভারিট ব্রাজিলকে মাটিতে পড়ার পাশাপাশি ফাইনালে গোল করে ইতালিকে বিশ্বসেরার মুকুট