ফুটবল অনুরাগীদের জীবন বছরের প্রায় সব সময় ইউরোপীয় ক্লাবগুলো নিয়ে নিজেদের গুঞ্জন করে
শ ষ ৪ ওভ র শর ফ – এ সময় বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের মন খালি করে দেয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ শেষ করার প্রতিযোগিতা। অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাজার পর্যন্ত খেলার আলোচনা আর কিছু নয়। এ অবস্থায় বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার শেষ মুহূর্তে মুখোমুখি হওয়া স্বাভাবিক হয়েছিল।
বোলিংের ক্ষমতা দেখান শরিফুল আর মোস্তাফিজ
অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচের আগে থেকেই আগ্রাসী হয়েছিল ফুটবলের ডঙ্কা। সেই পরিবেশে খেলার অবস্থা এমন যে প্রায় ১২/১৩ হাজার সমর্থক শেরেবাংলায় একত্রিত হন। কিন্তু তাদের বেশিরভাগ খেলা শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগে মাঠ ছেড়ে গেল।
তাসকিন আহমেদের এক ওভারে ৩ ছক্কা করে বাংলাদেশের বোলাররা অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের আগে চলে যায়। কুপার কনোলি ও অলিভার পিক এবং জেভিয়ার বার্টলে মাঠ ছেড়ে বাড়ি যাওয়া হয়। তার পর শরিফুল ইসলাম বোলিংয়ে নতুন পরিবেশ তৈরি করে।
প্রথম ওভারে অস্ট্রেলিয়া ছিল মাত্র ৯ রানের লক্ষ্যে মোড় ঘুরিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন তিনি এবং তাসকিন আহমেদ পরবর্তী ওভারে নিজের শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়াকে আরও দুর্দান্ত বোলিং করে শেষ করেন। বাংলাদেশ খেলোয়াড়দের বোলিং ক্ষমতা দেখায় পানির মতো সহজ প্রতিযোগিতা ছিল না।
সমাপ্তি এবং স্মৃতির সৃষ্টি
টাইগার ওপেনার কুপার কনোলিকে মোস্তাফিজুর রহমান আরও নিয়ন্ত্রণ করেন। শেষ ওভারে বাংলাদেশ এক উইকেটে হারে কিন্তু জয়ের নিকট আসার মুহূর্ত হিসাবে স্মৃতি জাগরুক থাকবে। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এ ম্যাচ বিশেষ হিসেবে তুলে ধরা হবে। শেষ ৪ ওভারে বোলিংের দুরন্ত ক্ষমতা ভবিষ্যতে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ভয় সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বাউন্ডারি হারিয়ে নিজেদের সাহস দেখান শরিফুল ও মোস্তাফিজ।