ভোজিনহা গোলরক্ষকের সুপরাক্রমে স্পেনকে হারায় কেপ ভার্দে
শ ষ ব শ ব জত ই – স্পেন কর্তৃক প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাওয়ার আশা নিয়ে গোল করতে পারেনি যখন শেষ বাঁশি বাজতে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভোজিনহা। দুর্দান্ত সেভ করে তার অসাধারণ প্রতিরোধ দেখায় যে এই ম্যাচে ভোজিনহা ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন ও টুর্নামেন্টের ফেবারিট দলের আক্রমণভাগকে সম্পূর্ণ বাজিয়ে ফেলেন।
স্পেনের বিপক্ষে ড্র সৃষ্টি করা সত্ত্বেও কেপ ভার্দের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যের প্রশংসা করেন খুব কম সংখ্যক প্রতিযোগী দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় গড়ে তুলেছেন। ম্যাচে তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং তিনটি সফল হাই ক্লেইম করেন। কেপ ভার্দে পুরো ম্যাচে মাত্র ২৬ শতাংশ বলের দখল রাখে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই জনসংখ্যার ক্ষুদ্রতম দেশের জন্য যে অভিজ্ঞতা গড়ে তুলেছেন ভোজিনহা, তা একটি অনন্য সাফল্য। বর্তমানে তিনি পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব জি.ডি. শাভেসে খেলেন। তবে স্পেনের বিপক্ষে এই ম্যাচের পর তিনি কেবল কেপ ভার্দের নয়, বিশ্ব ফুটবলের নতুন নায়ক হয়ে উঠেছেন।
পূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পারফরম্যান্সের সাথে সাথে ভোজিনহা বিশ্বজুড়ে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। ম্যাচ চলাকালীন ব্রাজিলের জনপ্রিয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কেজে টিভি’ দর্শকদের তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করার আহ্বান জানায়। তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীদের সংখ্যা শুরুতে ১ লাখ ছাড়িয়ে যায় ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে।
১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে যে বয়সী গোলরক্ষকদের মধ্যে এমন কীর্তি গড়েছেন খুব কম ব্যক্তি। এই আকাশে আঁকিয়ে দিয়েছেন ভোজিনহা যে কেপ ভার্দে সামর্থ্য নিয়ে জাতীয় গৌরবের একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। যে প্রতিযোগী দল দুর্দান্ত নৈপুণ্যে স্পেন গোলের সুযোগ নষ্ট করে তার সামগ্রিক সেভ করেছেন সাতটি এবং তিনটি হাই ক্লেইম করেছেন।
১৯৮৬ সালে ব্রাজিলের বিপক্ষে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের হয়ে একটি সেভ করেছিলেন কিংবদন্তি প্যাট জেনিংস। ভোজিনহার পারফরম্যান্স দেখে তিনি বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসে যে কীর্তি গড়েছেন সেটি মুগ্ধ করেছে একজন শিক্ষার্থী গোলরক্ষককে।