বিশ্বকাপ ফুটবল / মেসি সৃষ্ট গোলে আর্জেন্টিনা প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকে
ব শ বক প ফ টবল ম – অস্ট্রিয়া ইউরোপের একটি দেশ। আলজেরিয়ার মত ম্যাচটি এত সহজ হবে না বলে আগেই বিশ্বাস ছিল। তবে মাঠে সেই সত্যিকারের প্রমাণ পেয়েছে এই তথ্য। আর্জেন্টিনার সমানভাবে বিপক্ষে দাঁড়ানো অস্ট্রিয়ানদের প্রতি বোঝায় যে তাদের সামনে সরাসরি স্পেশিয়াল চ্যালেঞ্জ ছিল।
ম্যাচটির শুরুতেই আর্জেন্টিনা আক্রমণ শুরু করে। চতুর্থ মিনিটে লওতারো মার্টিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে ভিএআর পরীক্ষা শুরু হয়। জাভিয়ের স্লাগার এবং স্টেফান পচস দুই দিকে চ্যালেঞ্জ করেন। রেফারি ভিএআর মনিটরে দেখে আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি দেন।
৯ম মিনিটে মেসি স্পট কিক নিয়ে আসেন। তবে তার শট পোস্টের ডান পাশে বাইরে চলে যায়। বিশ্বকাপে মেসির সবচেয়ে বিপদজনক পেনাল্টি মিসগুলোর একটি হয় এই ঘটনা। মাঠে তিনটি পেনাল্টি মিস করার পরও আর্জেন্টিনা আক্রমণ বিমুখ হয় না।
১৯ মিনিটে মেসি বক্সের ভেতর থেকে শট নিলে অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লাগার তা রুখে দেন। অস্ট্রিয়াও পাল্টা আক্রমণ করে বিপদ তৈরি করে, কিন্তু রক্ষণ ভাঙতে পারে না। অবশেষে ৩৮ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল আসে। থিয়াগো আলমাদা বাম দিকে বল বাড়ায়, মেদিনার কাছে গোল রক্ষক ছুটে আসে মেসিকে।
মেসি প্রথম ছোঁয়াতেই দারুণ বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। শ্লাগার শুধু তাকিয়ে থাকতে পারেন। এই গোলে মেসি বিশ্বকাপে নিজের গোলের সংখ্যা বৃদ্ধি করে দেন ১৭ টি করে। সেই সংখ্যা দিয়ে তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসেকে ছাড়িয়ে যান।
গোল হওয়ার পর অস্ট্রিয়ার চাপ বৃদ্ধি পায়। ৪০ মিনিটে পসচ হলুদ কার্ড দেখেন, আর ৪২ মিনিটে মেসিকে ফাউল করে ড্যানসো বড় শাস্তি এড়ান। প্রথমার্ধে অস্ট্রিয়া একটি ফ্রি-কিক পেয়ে থাকে, কিন্তু ডেভিড আলাবার ডেলিভারি গোলকিক হয়ে যায়।
বিরতির আগে মেসি নিজের অর্ধে বল পেয়ে পেছনে পাস দেন, কিন্তু গ্যালারির দর্শকরা তাকে অভিবাদন জানায়। সাত মিনিট অতিরিক্ত সময় শেষে বিরতির বাঁশি বাজে। আর্জেন্টিনা সেই সময় গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
পেনাল্টি মিসের আক্ষেপ ভ�