বিশ্বকাপে আফ্রিকান দেশগুলোর অবিশ্বাস্য সাফল্য, ৯টি দেশই নকআউটে!
ব শ বক প আফ র ক – বিশ্বকাপ এবার প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলে চালু হয়েছে। এই বিস্ময়কর ফরম্যাটে প্রতিটি কনফেডারেশন থেকে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আফ্রিকা থেকে আগে যেখানে পাঁচ দল বিশ্বকাপে প্রবেশের সুযোগ পেতো, এবার সরাসরি ৯টি দেশকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একটি দেশ আন্তর্জাতিক প্লে-অফ খেলার সুযোগ পেয়েছে।
আফ্রিকার বিশ্বকাপে উঠে আসা দেশগুলো এবার বিশেষ করে নকআউট পর্বে বড় সাফল্য দেখিয়েছে। যেহেতু আগে ছিল পাঁচটি দল, এবার ১০টি দেশ থেকে নকআউটে এগিয়ে গেছে। যা মানে বিশ্বকাপের আফ্রিকান ক্ষমতা ছিল ডাবল। আফ্রিকার বিশ্বকাপে উঠে আসা দেশগুলো বিশ্ব ফুটবলের শক্তির মানচিত্রে আগের তুলনায় বেশি জোর দেখাচ্ছে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বিভিন্ন মহাদেশগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে তথ্য দেখায় আফ্রিকা সবচেয়ে বেশি সাফল্য দেখাচ্ছে। ইউরোপের ১৬টি অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে ১৩টি নকআউটে উঠেছে। যা শতকরা হিসেবে দাঁড়ায় ৮১.২৫ ভাগ। লাতিন আমেরিকার ৬টি দলের মধ্যে ৫টি জায়গা করে নিয়েছে। যা শতকরা হিসেবে দাঁড়ায় ৮৩.৩৩ ভাগ। অন্যদিকে এশিয়ার ৯টি দেশ থেকে মাত্র দুইটি দল উঠেছে নকআউটে। ওশেনিয়ান অঞ্চলে কেবল নিউজিল্যান্ড অংশ নিয়েছিল, যারা গ্রুপ পর্বের শেষ দিনে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে।
নকআউটে উঠেছে সাতটি আফ্রিকান দল
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১০টি আফ্রিকান দলের মধ্যে কেবল তিউনিসিয়া গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। বাকি নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে ঘানা, ডিআর কঙ্গো ও আলজেরিয়া। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বে শেষ দিনে নাটকীয় লড়াইয়ের পর ডিআর কঙ্গো নকআউটে প্রবেশ করেছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আফ্রিকার দলগুলো বহুবার সম্ভাবনার ঝলক দেখিয়েছে। ক্যামেরুন, সেনেগাল, ঘানা বা ২০২২ সালে মরক্কোর সাফল্য সেই ইতিহাসের অংশ। তবে এবার প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ৯টি আফ্রিকান দল নকআউটে উঠে প্রমাণ করে দিল এটি আর বিচ্ছিন্ন কোনো সাফল্য নয়; বরং আফ্রিকান ফুটবলের ধারাবাহিক উন্নতিরই প্রতিফলন।
বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে ছোট ও উদীয়মান ফুটবল শক্তিগুলোর জন্য বড় মঞ্চ তৈরি হয়েছে। এবার আফ্রিকার দলগুলো কঠিন পরীক্ষা মুখোমুখি হয়েছে। যার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা কানাডার কাছে ১-০