Sports

ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় ইকুয়েডর কোচের ক্ষোভ

ইকুয়েডর কোচের বিলম্ব অভিজ্ঞতা ফ ল ইট ব লম ব ত - ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাচেচে মেক্সিকো সিটিতে দলের আগমন হওয়া দীর্ঘ বিলম্বের কারণে আয়োজকদের

Desk Sports
Published July 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইকুয়েডর কোচের বিলম্ব অভিজ্ঞতা

ফ ল ইট ব লম ব ত – ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাচেচে মেক্সিকো সিটিতে দলের আগমন হওয়া দীর্ঘ বিলম্বের কারণে আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। এই সময় দুর্বল পরিস্থিতির কারণে দলটি ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব ৩২’ পর্বে স্বাগতিক দেশের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছে।

আর্জেন্টাইন কোচের সংবাদ সম্মেলনটি নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা পরে শুরু হয়। মেক্সিকোয় হোটেলে পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল দুপুর ছয়টা, কিন্তু দলের খেলোয়াড়রা তখনও সেখানে আসেনি। ফ্লাইটটি সাড়ে ৩ ঘণ্টার সময় ছিল, যার সাথে হোটেলে যাওয়ার পথ আরও এক ঘন্টা বাইশ মিনিট সময় বাড়িয়েছিল। এতে দলের আগমন হয়েছে প্রায় ৯ ঘণ্টার যাত্রার মতো।

অভিজ্ঞতা কেন এমনটা হয়েছে?

বেকাচেচে ব্যাখ্যা করেন, ‘আমাদের পৌঁছাতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩ ঘন্টা বেশি সময় নেয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটেছে তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদের বিপর্যয় ছিল ওহাইও-র কলম্বাসে দলের ঘাটি থেকে মেক্সিকোয় আসার জন্য অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি।’

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আমাদের পৌঁছাতে ৩ ঘণ্টা দেরি হয়েছে। কেন এমনটা হলো তা আমরা জানি না। মেক্সিকোর স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিকেল ছয়টায় হোটেলে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু খেলোয়াড়রা তখনও এসে পৌঁছায়নি। যে ফ্লাইটটি সাড়ে ৩ ঘণ্টার হওয়ার কথা ছিল। যার সাথে হোটেলে যাওয়ার আরও ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের পথ যুক্ত হওয়ার কথা, তা শেষ পর্যন্ত ৯ ঘণ্টার যাত্রায় পরিণত হয়।

ক্লান্তি কিন্তু সামঞ্জস্য করেছেন

কোচ বিষয়টিকে খুব বড় করে দেখতে চাননি। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ক্লান্তি দলের মনোবলকে প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, ‘আমি বিরক্ত নই বরং অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। স্বাভাবিকভাবেই আমরা বেশ ক্লান্ত। কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নিতে পেরে আমি কীভাবে বিরক্ত হতে পারি? তা হলে সেটা অকৃতজ্ঞতা হতো।’

অতীত ও ভবিষ্যৎ

তিনি ফিলাডেলফিয়া, কানসাস এবং নিউ ইয়র্কে আগের ম্যাচগুলোর আয়োজনের সাথে এই অভিজ্ঞতার তুলনা করেন, যেখানে ‘সবকিছু ছিল নিখুঁত এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল।’

প্রস্তুতি ও আশা

বেকাচেচে ঘোষণা করেন, ‘আমাদের দল ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত। যে কাজের মাধ্যমে আমরা এখানে এসেছি, তার ওপর আমার আস্থা আছে। আমরা আমাদের লড়াকু ও অদম্য মানসিকতা তুলে ধরতে চাই।’

তিনি আরও যোগ করেন, দলটি যেকোনো জায়গায় খেলতে সক্ষম। উচ্চতার কারণে বিশেষ কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইকুয়েডর কোচ বলেন, ‘দলের সাথে আমরা বিশ্বকাপটা এতটাই উপভোগ করছি যে, আরও কিছুদিন এখানে থেকে যেত

Leave a Comment