ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
ঢ ক ব শ বব দ য – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন যে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার এবং গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে পরিকল্পনাগুলো ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা কারিকুলাম আধুনিক করা এখন অপরিহার্য। পরিবেশ সংরক্ষণ, বাংলা ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষার জ্ঞান অর্জন এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে। অবশ্যই তার প্রতিপাদ্য বর্তমান সময়ে সময়োপযোগী হয়েছে।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সামাজিক সংস্কৃতি ও সৃজনশীল চর্চাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা জরুরি।
বর্তমান সময়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি আরও উল্লেখ করেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকি�