চট্টগ্রাম নগরী পুনরায় জলাবদ্ধ হয়েছে ছুটির দিনে
৪০ ম ন ট র ব ষ – শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় তিন ঘন্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টি নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। এতে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে ডুবে যায়। বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু অঞ্চল পানিতে ভাসতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে ছুটির দিনে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবীদের জরুরি কাজে বিপর্যস্ত হতে হয়।
বৃষ্টি সম্পর্কে বিবরণ
জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রামে পরিবহন ব্যবস্থা বিপাকে পড়ে। অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। যাত্রীদের গন্তব্য পৌঁছাতে সময় বেশি লাগে এবং তাদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পায়। পথচারীদের অনেকে হাঁটু পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। সামগ্রিক দুর্ভোগ কমেনি যদিও কিছু স্থানে স্থিতিশীল হয়েছে।
প্রতিবেদন করেন স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ ফরহান, “বছরের পর বছর আমরা এই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে ভোগা অবস্থায় থাকি। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হলেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছে না।”
রিকশাচালক ফয়েস আহমেদ জানান, “জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়েছে। আমাদের আয়-রোজগার কম হচ্ছে।”
ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের চাকরিজীবী মো. নাইম বলেন, “রাস্তায় পানি জমায় যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করছি। এ সুযোগে অনেক চালক অতিরিক্ত ভাড়া হাঁকাচ্ছেন।”
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানিয়েছেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রায় ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণে নিচু এলাকাগুলো পানিতে ভাসতে থাকে। আকাশ মেঘলা থাকতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে আরও বৃষ্টি হতে পারে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা এ পরিস্থিতির মূল কারণ। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বহু বাসিন্দা। বিশেষ করে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেও আবারও দুর্ভোগ ঘটছে।
তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে প্রবর্তক মোড়ে। এখানে চলমান কাজের কারণে �