নামাজের সময়সূচি: ৩০ জুন ২০২৬
ন ম জ র সময়স চ – আজ মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ইংরেজি, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বাংলা, ১৪ মহররম ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং তার সম্পর্কিত অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হলো—(সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ নামাজ সময়সূচি
প্রতিদিন নামাজ পাঁচ ওয়াক্তে মোট ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া পাঁচ ওয়াক্তে কিছু সুন্নত নামাজ রয়েছে, যা নবী (সা.) মাঝে মাঝে পড়তেন। ইশার পর সুবহে সাদিক পর্যন্ত তিন রাকাত বেতর নামাজ আদায় করা ওয়াজিব।
ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ আদায় করা অপরিহার্য। ছেড়ে দিলে গুনাহ হয়। অপরিহার্য নামাজ ছেড়ে যেতে হলে পরে কাজা করতে হবে। সুন্নত নামাজ আদায় করলে সওয়াব হয়, করলে না হলে গুনাহ নেই।
প্রতিটি ওয়াক্তে নামাজের সংখ্যা
ফজর ওয়াক্তে ফরজ নামাজ দুই রাকাত। ফরজের আগে দুই রাকাত সুন্নত মুআক্কাদা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জোহর ওয়াক্তে ফরজ নামাজ চার রাকাত। ফরজের আগে চার রাকাত ও পরে দুই রাকাত সুন্নত মুআক্কাদা নামাজ পড়া হয়।
আসর ওয়াক্তে ফরজ নামাজ চার রাকাত। ফরজের আগে চার রাকাত সুন্নত যায়েদা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
মাগরিব ওয়াক্তে ফরজ নামাজ তিন রাকাত। ফরজের পরে দুই রাকাত সুন্নত মুআক্কাদা নামাজ পড়া হয়।
ইশার ওয়াক্তে ফরজ নামাজ চার রাকাত। ফরজের আগে চার রাকাত সুন্নত যায়েদা ও ফরজের পরে দুই রাকাত সুন্নত মুআক্কাদা নামাজ পড়া হয়।
আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা ফরজ। (সুরা নিসা: ১০৩)
রাসুল (সা.) বলেন, আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ। যে ব্যক্তি নামাজ ছেড়ে দিল, সে কুফুরি করল। (সুনানে তিরমিজি: ২১১৩)
নবী (সা.) আরও বলেন, বান্দা আর শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ ছেড়ে দেওয়া। (সহিহ মুসলিম: ১৪৮)
রাসুল (সা.) বলেন, কেয়ামতের দিন বান্দার আমলের মধ্যে সবচেয়ে আগে তার নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। সেটি যথাযথ হলে সে সফল হবে, অপরিশোধিত হলে ব্যর্থ হবে। (সহিহ জামে সগির: ২০২০)