Religion

নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কি খারাপ কিছু ঘটার ইঙ্গিত?

নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কি অনিবার্য অমঙ্গলের চিহ্ন? ন কফ ল হ র য় য - নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কিছু অমঙ্গলের ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, কিন্তু এটি সত্যিকারো

Desk Religion
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কি অনিবার্য অমঙ্গলের চিহ্ন?

ন কফ ল হ র য় য – নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কিছু অমঙ্গলের ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, কিন্তু এটি সত্যিকারো অমঙ্গলের প্রমাণ হতে পারে না। ইসলামে নারীদের নাকফুল হারানো একটি বৈধ কাজ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। সাহাবী নারীদের কানে দুল পরার প্রথা ছিল এবং তাদের হাতে চুড়ি পরার প্রচলনও ছিল। নবী মুহাম্মদ (সা.) এই সাজসজ্জার অনুমোদন করেছিলেন এবং তার সাজসজ্জা পরিধান করাকে অপরিহার্য করেননি। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কোনো ক্ষতির সংকেত হতে পারে না।

হাদিস থেকে প্রমাণ নাকফুল হারানোর বৈধতা

নাকফুল হারানোর বৈধতা হাদিস থেকে স্পষ্ট। একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে নবী মুহাম্মদ (সা.) ঈদের দিন নামাজ পড়েন। তার পর বেলালকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে নারীদের কাছে গেলেন এবং তাদের সদকা করার উৎসাহ দিলেন। তখন নারীরা তাদের কানে দুল ও হাতে চুড়ি খুলে দিতে লাগলেন। সহিহ বুখারি: ১৪৩১ হাদিস অনুসারে, এটি একটি স্পষ্ট প্রমাণ যে নাকফুল হারিয়ে যাওয়া কিছু অমঙ্গলের চিহ্ন নয়। এর মধ্যে নারীদের সাজসজ্জা করার অনুমতি রয়েছে এবং তারা বিনা নিষেধাজ্ঞায় এ কাজ করতে পারেন।

সহিহ বুখারি: ১৪৩১

আল্লামা শামী (রহ.) বলেন, নাক ফোঁড়ানো ও নাকফুল পরিধান যদি সাজসজ্জার জন্য করা হয়, তাহলে এটি কান ফোঁড়ানোর জন্য দুল পরার মতোই বৈধ। ইসলাম এই ধরনের সাজসজ্জার ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে না। নারীদের হাতে চুড়ি বা কানে দুল পরার অনুমতি নবী মুহাম্মদ (সা.) দিয়েছিলেন, যা এখনও বৈধ। তাই নাকফুল হারানো কিছু অমঙ্গলের চিহ্ন নয়, বরং তা সাজসজ্জার অংশ হিসেবে গৃহীত।

ফতোয়া শামি: ৬/৪২০

ইসলাম এবং নাকফুল পরিধান: প্রাচীন ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি

নাকফুল হারানো একটি প্রাচীন প্রথা, যা আধুনিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা পেয়েছে। সাহাবী যুগে নারী

Leave a Comment